বলিউডের ঝলমলে দুনিয়ায় এমন অনেক অভিনেত্রী আছেন যারা আলোড়ন তুলেছেন তাদের সৌন্দর্য। তবে সময়ের পর সময় পেরিয়েও যিনি রূপ, আভিজাত্য আর স্টাইলের সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছেন তিনি ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। বলিউডে যিনি পরিচিত শুধু অভিনেত্রী হিসেবে নন, বরং এক অনন্য সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে। ১৯৭৩ সালের এই দিনে মুম্বাইয়ে তার জন্ম।
এ অভিনেত্রীর বয়স হলো ৫১ বছর, ৫২ বছরে পা দিয়েছেন তিনি। কিন্তু তাকে দেখে তা বোঝার উপায় নেই! সৌন্দর্য, মাধুর্য আর আত্মবিশ্বাস-সব মিলিয়ে এখনো যেন নব্বই দশকের সেই তরুণী ঐশ্বরিয়া।
কর্ণাটকের মঙ্গলুরুতে জন্ম ঐশ্বরিয়ার। ছোটবেলায় স্বপ্ন ছিল স্থপতি হওয়ার, কিন্তু ভাগ্য লিখেছিল অন্য গল্প। নব্বই দশকের শুরুতে বিজ্ঞাপনচিত্র আর মডেলিং দিয়ে যাত্রা শুরু তার। ১৯৯৪ সালে মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব জয় করে রাতারাতি আলোচনায় আসেন তিনি। সেই থেকেই শুরু হয় তারকাখ্যাতির পথচলা।
১৯৯৭ সালে তামিল নির্মাতা মনিরত্নমের ‘ইরুভার’ সিনেমায়তে অভিনয়ের মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক। একই বছর বলিউডে আত্মপ্রকাশ ‘ঔর পেয়ার হো গয়া’ সিনেমায়। শুরুটা ছিল খানিক মৃদু, কিন্তু ১৯৯৯ সালে ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ তাকে পৌঁছে দেয় বলিউডের প্রথম সারিতে।
এরপর ‘তাল’, ‘দেবদাস’, ‘জোধা আকবর’, ‘গুরু’, ‘ধূম ২’, ‘রেইনকোট’- প্রতিটি সিনেমায় অভিনয়ের নৈপুণ্যে প্রমাণ করেছেন, তিনি কেবল রূপের নয়, প্রতিভারও প্রতীক। বিশেষ করে ‘দেবদাস’-এ পারো চরিত্রে তার অনবদ্য অভিনয় আজও দর্শকদের মনে অমলিন।
ঐশ্বরিয়া বলিউডের সীমা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন। ‘ব্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’, ‘দ্য পিঙ্ক প্যান্থার ২’র মতো হলিউড প্রজেক্টে কাজ করেছেন তিনি। কানের চলচ্চিত্র উৎসবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভারতের মুখ হয়ে উঠেছেন। তার রেড কার্পেট উপস্থিতি এখন এক ঐতিহ্য।

