মহেশখালীতে সিঙ্গাপুর প্রজেক্টে এখনো অবকাঠামো কাজ শুরু হয়নিঃ পরিত্যক্ত লবণ ভূমি

১১৯

মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে সরকারের পক্ষ থেকে দুটি প্রকল্পের জন্য জমি অধিকগ্রহণ করা হয়েছে। জানাগেছে, উপজেলার মাতারবাড়ীর দক্ষিণ প্রান্তে ১৪’শ১৪ একর জমি অধিকগ্রহন করা হয়।  বর্তমানে উক্ত প্রকল্পে পুরোদমে বিভিন্ন অবকাঠামো নিমার্ণের কাজ চলছে।

অপরদিকে উত্তর প্রান্তে সিঙ্গাপুর প্রজেক্টের অধীনে অধিকগ্রহনকৃত ১২’শ একর ভূমিতে এখনোও অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু করেনি সংশ্লিষ্ট  কর্তৃপক্ষ।

তাছাড়াও উক্ত প্রকল্পের জমিতে বিভিন্ন অবকাঠামো নিমার্ণের জন্য কর্তৃপক্ষ এখনো হাত দেয়নি। তবে একটি দালাল চক্র প্রকল্পে কতিপয় কর্মকর্তার সাথে হাত করে চলতি মৌসুমে লবণ চাষ করতে না দেওয়ায় প্রায় দেড় হাজার লবণ চাষী বেকার হয়ে মানবতার জীবন -যাপন করতেছেন। এবং তাঁদের পরিবারে মাঝে চলছে হা-হাকার।

এ প্রকল্পে চাষিরা লবণ চাষ করতে না পারলে আর্থিকভাবে মাতারবাড়ীতে পড়বে বড় দুর্যোগ। কিন্তু এ প্রকল্পের জমি পরিত্যক্ত না রেখে খেটে খাওয়া চাষিদের লবণ চাষ করতে দিলে এক দিকে সরকারের লবণ উৎপাদনের টার্গেট পূরণ করতে পারবে। পাশা-পাশি মাতারবাড়ী কর্মহীন চাষিদের ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।

ফলে লোকজনের দুর্ভোগ অনেকটা কমে যাবে মনে করেন স্থানীয় বাসিন্দা সাবেক মেম্বার লবণ চাষিদের নেতা সাবেক এমইউপি সদস্য বশির আহমদ, আবুবক্করসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।

তবে স্থানীয় লবণ চাষি জসিমসহ অনেকে বলেন, উক্ত প্রকল্পে অবকাঠামো নিমার্ণের কাজ শুরু না করার সত্বেও  লবণ উৎপাদন বন্ধ ঘোষণার রহস্য কি?। তাছাড়াও দ্বিতীয় টুঙ্গী পাড়াখ্যাত মাতারবাড়ীবাড়ী বাসির দাবী করে বলেন, জনগণের স্বার্থে পরিত্যক্ত ভূমি না রেখে লবণ উৎপাদনের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক এমপি ও কোল পাওয়ার কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।

অনলাইন নিউজ ডেস্ক/বিজয় টিভি

You might also like