মানবপাচারের মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়েছেন অমি ও তার সহযোগীরা

৫৬

অধিক বেতনে বিদেশে ভালো চাকরির করা বলে মানবপাচারের মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়েছেন মো. তুহিন সিদ্দিক অমি (৩৩) ও তার সহযোগীরা।

মঙ্গলবার (২২ জুন) দুপুরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সংস্থাটির ঢাকা মেট্রোর অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ ওমর ফারুক।

এর আগে শনিবার রাজধানীর দক্ষিণখান থানায় অমি ও তার সহযোগীদের মানবপাচার চক্রের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়। পরে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ মামলায় সিআইডি এখন পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতাররা হলেন- মো.জসিম উদ্দিন (৩৬), মো. সালাউদ্দিন (৩৫), মো. মুসা (২৬), মো. রাকিবুল ইসলাম রানা (৩৩), মো. গোলাপ হোসেন বুলবুল (৩৪), মো. জাকির হোসেন (৩৪), মো. নাজমুল (২৫), মো. আলম (৩৫), ও শাহজাহান সরকার (৪৩)।

এসময় তাদের ​কাছ থেকে ৩৯৫টি পাসপোর্ট, অমির ৪টি বিলাসবহুল গাড়ি, ২২টি হার্ড ডিস্ক, সম্পত্তির দলিল, ক্রেডিট কার্ড, অলিখিত ষ্ট্যাম্প, বিভিন্ন ব্যাংকের চেক বই, ভিসা কার্ড, পেনড্রাইভ ও মোবাইল সেট জব্দ করা হয়।

এর আগে পরীমনিকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় ১৪ জুন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন তুহিন সিদ্দিকী অমি।

জানা যায়, অমি ও তার সহযোগীরা শত শত লোকজনকে অধিক বেতনে বিদেশে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করে। এ মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যরা ভিকটিমদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে চাকরি না দিয়ে বিভিন্ন দেশে পাচার করে আসছিল। এছাড়া আরও অনেক নিরীহ সরল লোকদের দুবাই, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে পাঠানোর কথা বলে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. খালিদুল হক হাওলাদার, বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর ও সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আজাদ রহমান