মিল্কি হত্যার বদলা নিতেই টিপুকে খুন

আট বছর আগে যুবলীগ নেতা রিয়াজুল হক খান মিল্কি হত্যার প্রতিশোধ নিতেই রাজধানীর শাহজাহানপুরে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপুকে হত্যা করা হয়েছে। ১৫ লাখ টাকার চুক্তিতে টিপুকে হত্যা করে খুনিরা।

এই হত্যাকাণ্ডে মতিঝিল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও জড়িত। টিপু হত্যার অন্যতম পরিকল্পনাকারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তারের পর দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছে র‌্যাব।

র‍্যাব জানায়, ২০১৩ সালে রাজধানীর গুলশান শপার্স ওয়ার্ল্ডের সামনে মিল্কী হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। গ্রেপ্তাররা মিল্কীর সহযোগী ছিলেন। এ ঘটনার সঙ্গে টিপু জড়িত ছিলেন বলে গ্রেপ্তাররা সন্দেহ করতেন। তখন মিল্কী হত্যায় যে মামলা দায়ের করা হয়েছিল সেখানে এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন টিপু। কিন্তু বিচারিক কার্যক্রমে তার (টিপু) নাম বাদ পড়ে। যা গ্রেপ্তারদের মনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

র‍্যাব আরও জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ভিকটিম ও হত্যার পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে বিরোধ ছিল। মতিঝিল এলাকার চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, স্কুল-কলেজের ভর্তি বাণিজ্য, বাজার নিয়ন্ত্রণ, আধিপত্য বিস্তার নিয়েও তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলে আসছিল। আর এসব দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করেই টিপুকে হত্যা করা হয়।

এর আগে, রাজধানীর মুগদা, শাহজাহানপুর ও মিরপুরে অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু হত্যায় জড়িত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, আবু সালেহ শিকদার ওরফে শুটার সালেহ, নাছির উদ্দিন ওরফে কিলার নাছির ও মোরশেদুল আলম ওরফে কাইল্লা পলাশকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে হত্যার সময় ব্যবহৃত মোটর সাইকেল উদ্ধার করেছে র‌্যাব। হত্যাকাণ্ড দেশে হলেও কলকাঠি নাড়াচাড়া হয়েছে দুবাইয়ে। টিপু হত্যায় আন্ডারওয়ার্ল্ড সন্ত্রাসীদের নামও বেরিয়ে আসছে বলেন জানায় র‌্যাব।

You might also like
%d bloggers like this: