রোটারি ডিস্ট্রিক্ট এওয়ার্ডে আমাদের সামান্য ভুমিকা মনে হয় হিসেবেই ধরা হয় নি

প্রথম বছরেই পেয়েছিলাম গভর্নরের স্পেশাল রিকগনিশন, এফ এইচ আরিফ ভাইয়ের কাছ থেকে। গত বছর ক্যান্সার ও এনসিডি কমিটির কো-চেয়ারম্যান ( ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ) হিসেবে রোটারিকে সম্পৃক্ত করে অনেক প্রজেক্ট করেছি। ব্রেস্ট ক্যান্সার ডে কাউন্টডাউন প্রোগ্রাম করেছি ১০০ দিন আগে থেকে। ৯০ টি ক্লাব সাথে নিয়ে পুরো অক্টোবর ও নভেম্বর মাস জুড়ে প্রোগ্রাম করেছি ডিস্ট্রিক্টের নানা প্রান্তে। গভর্নর আলমগীর ভাই বছর জুড়ে সব অনুষ্ঠানে সেসব অনুষ্ঠান নিয়ে ভূয়সী প্রশংসাকরেছেন।হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন

জয়েন্ট প্রজেক্ট ক্যাটাগরিতে ব্রেস্ট ক্যান্সার ও জরায়ুমুখের ক্যান্সার নিয়ে সিরিজ প্রোগ্রাম আদৌ হিসেবে এসেছে কিনা টের পেলামনা।এসব অনুষ্ঠানের খবর গণমাধ্যমে প্রচুর এসেছে।

রাজপথ আর মাঠে ময়দানে মানুষের নজর কেড়েছে। জননীর জন্য পদযাত্রায় রোটারিয়ানরা মাইলের পর মাইল হেটে সাধারণ মানুষের হাতে তথ্যবহুল লিফলেট পৌছে দিচ্ছে, দেশের আট বিভাগে আটটি ক্যান্সার সেন্টার গড়ে তোলার দাবীতে প্রেসক্লাবে গোলটেবিল বৈঠক করেছে, গণমাধ্যমে ফলাও করে তা প্রচার হয়েছে।

হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন

বিজ্ঞ পিডিজিগণ সামাজিক মাধ্যমে এই কাজগুলি রোটারির পাবলিক ইমেজ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে বলে উৎসাহিত করেছেন। এবার এই ক্যাটাগরিতে আমাদের এসব কাজ বিবেচিত হয়েছে কিনা তাও বুঝা গেল না। ডিজিস প্রিভেনশন নামে কোন ক্যাটাগরি কি এবার ছিল? 

সোশ্যাল মিডিয়াতে সারা বছর আমাদের ব্যাপক উপস্থিতিও মনে হয় এই ক্যাটাগরিতে হিসেবে ধরা হয় নি! রোটারির বেশ কিছু বড় অনুষ্ঠান থেকে ফেসবুকে সরাসরি লাইভ করেছি, গভর্নরসহ লিডারগণ রোটারির কার্যক্রম নিয়ে সেখানে কথা বলেছেন। এই ক্যাটাগরিতে আমাদের সামান্য ভুমিকা মনে হয় হিসেবেই ধরা হয় নি। তাই আমাদের ক্লাবে একটা এওয়ার্ড আসে নি এ বছর। 

হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন

তার জন্য আমরা হতাশ নই। এখন সব ক্ষেত্রেই এমন হয়েই থাকে। গত তিন দিনে নানা পর্যায়ের রোটারিয়ানদের কাছ থেকে যে সহমর্মিতা, আন্তরিকতা আর ভালোবাসা পেয়েছি, তা আমাদেরকে আরো বেশি কাজ করার প্রেরণা হয়ে থাকবে।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

 

নিউজ ডেস্ক / বিজয় টিভি

You might also like