রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কার্যকরী পদক্ষেপ না থাকায় উদ্বিগ্ন স্থানীয়রা

১১৭

মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে গিয়ে উখিয়া-টেকনাফের স্থানীয় অধিবাসীরা নাগরিক অধিকার বঞ্চিত হয়ে পড়েছে। বসতভিটে, চাষের জমি, ফলদ ও বনজ বাগানে যত্রতত্র রোহিঙ্গা ক্যাম্প স্থাপন করায় মানবিক সংকটে দিন কাটছে তাদের। রোহিঙ্গারা ত্রাণ ও নানাবিধ সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হলেও স্থানীয়রা এ ক্ষেত্রে চরম অবহেলিত।

দেশি-বিদেশি সাহায্যকারী সংস্থা কর্তৃক রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বাজেটের ২৫ শতাংশ স্থানীয়দের জন্য নির্ধারিত ব্যয়ের সুষ্ঠু ব্যবহার, ক্যাম্প কেন্দ্রিক চাকরি ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে স্থানীয়দের অগ্রাধিকার এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ত্বরান্বিত করতে সরকার এবং এনজিওগুলোর তড়িৎ হস্তক্ষেপ চান স্থানীয়রা। নয়তো অধিকার বাস্তবায়নে আইনি লড়াইয়ের কথাও জানান তারা।

রোহিঙ্গাদের অর্থনৈতিক সচ্ছলতার পাশাপাশি স্থানীয়দের চাকরি না দেয়ার পেছনেও রয়েছে এনজিওদের ভূমিকা, এমনটি  জানান ৫ নং ফালংখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী,

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানালেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সরকারের পক্ষ থেকে সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

কক্সবাজারের উখিয়ায় ৩৪টি ক্যাম্পে বর্তমানে নতুন-পুরাতন মিলিয়ে প্রায় ১৩ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার বসবাস। আর এ কারণে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয়রা। তাই দ্রুত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করার দাবি সুশীল সমাজের।

নিউজ ডেস্ক/বিজয় টিভি

You might also like