শিক্ষা উপমন্ত্রীর সঙ্গে নরওয়ের রাষ্ট্র দূতের সাক্ষাৎ

নরওয়ের রাষ্ট্রদূত Sidsel Bleken   শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর সঙ্গে আজ সচিবালয়ে তার দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এসময় Sidsel Bleken বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষা ক্ষেত্রে চলমান নানা  কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃতাত্বিক জনগষ্ঠী এবং এদেশে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর শিক্ষা সম্পর্কে শিক্ষা উপমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন।

দেশের মাদ্রাসা শিক্ষা সম্পর্কে বলতে গিয়ে মহিবুল হাসান চৌধূরী বলেন এই ধারার শিক্ষার্থীরা যাতে কর্মে নিযুক্ত হতে পারে সেজন্য সরকার মাদ্রাসা শিক্ষাক্রমের পরিমার্জনে কাজ করে যাচ্ছে। সাধারণ মাদ্রাসাগুলোতে কারিগরি বিভিন্ন ট্রেড খোলা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

উপমন্ত্রী বলন দেশের বিপুল সংখ্যক কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদেরকে বিচ্ছিন্ন না রেখে তাদেরকে মূল ধারার সঙ্গে  অন্তর্ভূক্ত করতে তাদের সর্বোচ্চ ডিগ্রীকে ইসলামিক ষ্টাডিজ / আরাবী বিষয়ে মাষ্টার্স সমমান দেয়া হয়েছে।

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা যাতে প্রাচীন আরবী ভাষার পাশাপাশি আধুনিক প্রচলিত আরবী ভাষায় দক্ষতা অর্জন করে মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে কাজ করতে পারে সেজন্য সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

উপমন্ত্রী বলেন বর্তমান সরকার শিক্ষার সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষা নীতির আলোকে সকল শ্রেনীর মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা বিস্তারে নেয়া হয়েছে বিভিন্ন পদক্ষেপ। ঝরে পরা রোধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। গৃহকর্মীসহ সমাজের অনগ্রসর শ্রেনীর শিশুরা যাতে মৌলিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না থাকে সরকার সেদিকে নজর রাখছে।

কারিগরি শিক্ষা খাতের অগ্রগতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন এক্ষেত্রে ভর্তির হার বেড়ে দাড়িয়েছে ১৬ শতাংশ এবং আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৫০ শতাংশে উন্নীত করা হবে। দক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষার ওপর সরকার জোড় দিচ্ছে বলে জানান উপমন্ত্রী।

মহিবুল হাসান চৌধূরী বলেন সরকার জেনেভা ক্যাম্পের মত কয়েকটি ভিন্ন দেশের আটকে পড়া নাগরিকদের শিক্ষার জন্য কার্যক্রম চালাচ্ছে।  মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা  বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর শিক্ষার দায়িত্ব নেয়া সরকারের পক্ষে কষ্টকর বলে জানান তিনি। উপমন্ত্রী বলেন এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহায়তা পেলে সরকার সহযোগিতা করবে।

 

নিউজ ডেস্ক / বিজয় টিভি

You might also like