সত্তরের ঘরে চিত্রনায়ক আলমগীর

ঢাকাই সিনেমার স্বর্ণযুগের একজন উজ্জ্বল তারকা চিত্রনায়ক আলমগীর। সাবলীল আর নায়কোচিত অনবদ্য অভিনয় দক্ষতায় যিনি নিজেকে মেলে ধরেছিলেন সেলুলয়েডের পর্দায়। জায়গা করে নিয়েছেন সিনেমাপ্রেমী দর্শক মনে।

পারিবারিক, সামাজিক, অ্যাকশন, রোমান্টিক, ফোক, ফ্যান্টাসিসহ সব ধরনের চলচ্চিত্রের একজন সফল অভিনেতা আলমগীর। চিত্রনায়ক, প্রযোজক ও পরিচালক আলমগীর ১৯৫০ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা কলিম উদ্দিন আহম্মেদ ওরফে দুদু মিয়া ছিলেন ঢালিউডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ এর অন্যতম প্রযোজক। এমন পরিবেশেই তার বেড়ে ওঠা।

আমার জন্মভূমি ছবির মাধ্যমে ঢাকাই সিনেমায় শুরু হয়েছিলো আলমগীরের পথচলা। আশি ও নব্বইয়ের দশকে দাপটের সঙ্গে একের পর এক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন এই চিত্রাভিনেতা। এ পর্যন্ত তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

১৯৮৫ সালে ‘মা ও ছেলে’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এই অভিনেতা। মোট নয়বার পান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ২০১৮ সালে আজীবন সম্মাননায় অভিষিক্ত হন আলমগীর।

১৯৮৬ সালে তিনি প্রথম ‘নিষ্পাপ’ নামের একটি ছবি নির্মাণের মধ্যদিয়ে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তার নির্মিত সবশেষ ছবি ছিল ‘একটি সিনেমার গল্প’। এই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন কলকাতার নায়িকা ঋতুপর্ণা ও বাংলাদেশের নায়ক আরিফিন শুভ।

জীবন ঘড়ি এবার তার জন্মদিন আনন্দকে করেছে বিবর্ণ। নেই কোন আয়োজন। কারণ দেশ ভালো নেই। নভেল করোনাভাইরাস দেশকে করেছে দুর্যোগ আক্রান্ত। মানুষকে নিরাপত্তার স্বার্থে ঘরে থাকতেই তার আহবান।

বই পড়ে, ছবি দেখে, ছাদে বাগানচর্চা করেই স্বেচ্ছা অবরুদ্ধ দিনগুলো পার করছেন তিনি। বাংলা চলচ্চিত্রের চিরসবুজ অভিনেতা আলমগীরের ৭০তম জন্মদিনে বিজয় টিভির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।

অনলাইন নিউজ ডেস্ক/বিজয় টিভি

You might also like