সমন্বিত পরিকল্পনাই নিশ্চিত করবে টেকসই উন্নয়ন : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

৫৭

বাপেক্স ২০২০ সালে শাহবাজপুর-৩, শ্রীকাইল-৪, ফেঞ্চুগঞ্জ-৪ ও তিতাস-৭ নং কূপে সফলভাবে ওয়ার্কওভার কার্যক্রম সম্পাদন এবং গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি করেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, বাপেক্স ২০২০ সালেই শ্রীকাইল ইস্ট-১ নং কূপে অনুসন্ধান করে সম্ভাব্য ৫০ বিসিএফ উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদ এবং সিলেট-৯ নং কূপে সম্ভাব্য ৩৫ বিসিএফ গ্যাস উৎপাদনের সম্ভাবনার হিসাব জানিয়েছে। জকিগঞ্জ-১ নং কূপটিতে ২,৯৮২ মিটার গভীরতা পর্যন্ত খননশেষে ২৮৭২-২৮৮৪ মিটার গভীরতায় পারফোরেশন সম্পন্ন করে কূপ পরীক্ষণ (ডিএসটি) কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

শুক্রবার “সমৃদ্ধ বাংলাদেশ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তার বাজেট” শীর্ষক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সাশ্রয়ী ব্যবহারে প্রি-পেইড মিটার কার্যকরী অবদান রাখবে। দেশীয় জ্বালানি ব্যবহারে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নেয়া দরকার। ১০ বছর যে জ্বালানি ব্যবহৃত হতো তা কীভাবে ১৫ বছর করা যেতে পারে, তা নিয়ে এখনি চিন্তা-ভাবনা করা উচিৎ। বাপেক্সকে শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি হতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রণোদনা-প্রদান অব্যাহত রয়েছে। আগামীদিনে বিদ্যুৎ-উৎপাদনের অন্যতম প্রধান উৎস হতে পারে নারায়নযোগ্য জ্বালানি। বায়ুবিদ্যুৎ, ওশান রিনিউবল এনার্জি, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, সৌরবিদ্যুৎ ইত্যাদি আগামীর জ্বালানি মিশ্রণে ব্যাপক অবদান রাখবে।

তিনি আরও জানান, ২০০৯-১০ অর্থবছরে বিদ্যুৎখাতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ ছিল ২৬৪৪.২৬ কোটি টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে এ খাতে ২৬১১৮.৭৬ কোটি টাকা (নিজস্ব অর্থায়্নসহ) বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিতরণসংশ্লিষ্ট ৩১টি, সঞ্চালনসংশ্লিষ্ট ১৮টি, উৎপাদনসংশ্লিষ্ট ১৭টি, কারিগরি ৬টি ও নিজস্ব অর্থায়নে ২টি প্রকল্পের অনুকূলে এই ২৬,১১৮.৭৬ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগে ২০২১-২২ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ১৭টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উক্ত প্রকল্পসমূহের অনুকূলে ২৮৫১.৪৭ কোটি টাকা (নিজস্ব অর্থায়্নসহ) বরাদ্দ রয়েছে।

You might also like