সম্ভাবনা থাকলেও পাট বীজ উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন চাষিরা

৪১

এখনও সনাতন পদ্ধতিতে পাট বীজ উৎপাদন করছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষকরা। দেশের চাহিদা পূরণে বীজ উৎপাদনে অপার সম্ভাবনা থাকলেও নানা জটিলতায় আগ্রহ হারাচ্ছেন তারা। অথচ, ৮৫ ভাগ পাট বীজ আমদানি করা হচ্ছে ভারত থেকে। তাই পাট ও বীজের উন্নয়নে জেলায় একটি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের দাবি সাধারণ কৃষকদের।

দেশের এক-তৃতীয়াংশ পাট বীজ উৎপাদন হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জে। চলতি মৌসুমে জেলায় ১৭শ’ একর জমিতে প্রায় সাড়ে ৩’শ মেট্রিকটন পাট বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও এর চেয়ে দ্বিগুণ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্য ফসল উৎপাদনের চাইতে অধিক লাভজনক হওয়ায় পাট বীজ উৎপাদনে আগ্রহী সাধারণ কৃষকরা। কিন্তু, সনাতনী প্রথার কারণে ব্যাহত হচ্ছে আশানুরূপ উৎপাদন।

পাশাপাশি, আধুনিক কৃষি পদ্ধতি আর পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে হতাশ কৃষকরা। তার ওপর ভারত থেকে আমদানিকৃত বীজের কারণে বাজার হারাচ্ছেন তারা।

পাট বীজ উৎপাদনে অপার সম্ভবনার কথা স্বীকার করেছেন গবেষকরা। সেই লক্ষ্যে গবেষণাগার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ এখনও ফাইলবন্দী বলে জানালেন এই কর্মকর্তা।

এ বছর সরকার বিআরডিসির মাধ্যমে ১৮০ টাকা কেজি দর হিসেবে বীজ ক্রয় করছে কৃষকদের কাছ থেকে। এতে তাতে পাট বীজ যারা উৎপাদন করছে তারা লাভবান হচ্ছেন বলে জানালেন এ কৃষি কর্মকর্তা।

২০১৯ সালে, চাঁপাইনবাবগঞ্জে একটি পাট বীজ উৎপাদন এবং উন্নয়ন গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবনা দেয় বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনিস্টিটিউট; কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় এখন পর্যন্ত তা আলোর মুখ দেখেনি।

You might also like