সরকার গঠনের দোরগোড়ায় তালেবান, আফগানদের দুষলেন বাইডেন

২৩

১৯৯৬ থেকে ২০০১ আফগানিস্তানের জন্য এক বিভীষিকাময় অধ্যায়। তালেবান শাসনের ওই পাঁচবছরে আফগানিস্তান যেন এক অন্ধকার গহ্বরে পরিণত হয়েছিল। যেখানে সব ধরনের মানবিক বিপর্যয় শীর্ষস্থান দখল করেছিল।

দীর্ঘ ২০ বছর পর আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে তালেবান। এবারও কি পূর্বের পথেই হাঁটবে তারা, নাকি প্রগতিশীল ধারা বেছে নেবে; সেটাই দেখার বিষয়।

দুই দশক পর মার্কিন বাহিনী পুরোপুরি প্রত্যাহার হওয়ার আগেই, ঝড়ের বেগে, মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে অধিকাংশ এলাকার দখল নিয়ে ফের আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এখন সরকার গঠনের দোরগোড়ায় এই সশস্ত্র দলটি। যদিও সকল পক্ষকে নিয়ে একটি নমনীয় ইসলামী সরকার গঠন করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে তালেবান। এমনকি নারীসহ সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে তাদের কর্মস্থলে ফিরে আসারও আহ্বান জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।

এদিকে, তালেবানের ভবিষ্যৎ সরকার কাঠামো নিয়ে কাতারের রাজধানী দোহায় আলোচনা শুরু হয়েছে। আর তাদের স্বীকৃতির আশ্বাস দিয়ে এরইমধ্যে স্বাগত জানিয়েছে পাকিস্তান, চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের কয়েকটি দেশ। তবে আফগান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘসহ কয়েকটি দেশ।

রাজনৈতিক বা জাতিগত সহিংসতার ক্ষেত্রে নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি অত্যাচারিত হয়। এবারও আফগান যুদ্ধ আর যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে তার ব্যত্যয় ঘটেনি। তালেবানের পূর্ব শাসনব্যবস্থার অভিজ্ঞতার আলোকে এরইমধ্যে ভয় আর আতঙ্কে আফগানিস্তান ছাড়ার হিড়িক পড়েছে দেশটির নাগরিকদের। বিমানবন্দরে ঘটেছে হতাহতের মতো ঘটনাও। আর এসব করুণ ছবি ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্লাটফর্মে। যদিও এ ঘটনার পর বিমান চলাচল সামিয়ক বন্ধ ঘোষণা করা হলেও আবার তা চালু করা হয়েছে।

এদিকে আফগানিস্তানে মার্কিন মিশন সম্পর্কে দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, আফগানরা নিজেদের রক্ষার জন্য লড়াই করেনি। এছাড়া আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে সঠিক বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

You might also like
%d bloggers like this: