সারের দাম ও প্রতিকূল আবহাওয়া নিয়ে ধান রোপণে হতাশ কৃষক

শ্রাবণ মাসের অর্ধেক সময় পেরিয়ে গেলেও পর্যাপ্ত বৃষ্টির দেখা নেই ঠাকুরগাঁওয়ে। বৃষ্টির অভাবে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত মেশিনের মাধ্যমে অনেকে জমিতে সেচ দিয়ে আমন ধানের চারা রোপণ করছেন। কিন্তু, সূর্যের প্রখর তাপে ধানের চারা লাগানোর কয়েকদিনের মধ্যেই জমি ফেটে হচ্ছে চৌচির। অন্যদিকে, রোদে লালচে হয়ে যাচ্ছে রোপণকৃত ধানের গাছ।

পর্যাপ্ত পানি না পাওয়ায় জমিতে সেচ, আগাছা পরিষ্কার, রোগ ও পোকার আক্রমণ রোধে কৃষকদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা। সেই সঙ্গে করোনা মহামারির কারণে সারসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণের দাম বেড়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কৃষকরা।

তবে, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আবু হোসেন জানান, এবার জেলায় যদিও বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম, তারপরও আমন ধান রোপণে তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। এছাড়া, পর্যাপ্ত পরিমাণে সার মুজদ আছে বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান বলেন, কেউ কৃত্রিমভাবে সারের সংকট তৈরি করার চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। এ বিষয়ে কৃষি অফিসার ও ইউএনওদের মনিটরিং জোরদারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এ বছর জেলায় ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন।

You might also like