সায়মা হত্যা : একমাত্র আসামি হারুনের মৃত্যুদন্ড

রাজধানীর ওয়ারীর ৭ বছরের শিশু সামিয়া আফরিন সায়মা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ে একমাত্র আসামি হারুন আর রশিদকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত।

সায়মা ওয়ারীর সিলভারডেল স্কুলের নার্সারির ছাত্রী।

সোমবার ঢাকার ১ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক কাজী আব্দুল হান্নান এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে একমাত্র আসামির মৃত্যুদন্ড হওয়ায় সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন সায়মার মা সানজিদা আক্তার ও বাবা আব্দুস সালাম। তারা এই রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।

এরআগে ৫ মার্চ রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ৯ মার্চ দিন ধার্য করেন আদালত। মামলায় ১৭ জনের মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

চলতি বছরের ২ জানুয়ারি ঢাকার ১ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক কাজী আব্দুল হান্নান আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। অভিযোগ গঠনের ৬৬ দিনের মাথায় এই রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

৫ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হারুন আর রশিদকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) ওয়ারী জোনাল টিম মো. আরজুন।

হারুন আর রশিদকে গত ৭ জুলাই কুমিল্লার তিতাস থানার ডাবরডাঙ্গা এলাকা তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। পরের দিন হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারীর আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন হারুন। বর্তমানে সে কারাগারে আছে।

গত বছরের ৫ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ওয়ারীর নবনির্মিত একটি ভবনের নবম তলার খালি ফ্ল্যাটের ভেতর থেকে সায়মাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনার পরের দিন সায়মার বাবা আব্দুস সালাম বাদি হয়ে ওয়ারী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। ময়না তদন্তে প্রতিবেদনে সায়মার শরীরে ধর্ষণের আলামত মিলেছে। ধর্ষণের পর তাকে গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ওই ভবনের ছয়তলায় পরিবারের সঙ্গে থাকত সায়মা। বাবা আব্দুস সালাম নবাবপুরের একজন ব্যবসায়ী। দুই ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে সবার ছোট সায়মা।

অনলাইন নিউজ ডেস্ক/বিজয় টিভি

You might also like