সিলেটে গ্যাসক্ষেত্রে ফের খনন, দিনে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট উৎপাদনের সম্ভাবনা

সিলেটের বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্রের এক নম্বর কূপ থেকে নতুন করে গ্যাস উত্তোলনের জন্য পুনঃখননের কাজ শুরু হয়েছে। খননের পর কূপটি থেকে দৈনিক প্রায় সাত মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করার সম্ভাবনা আছে।

শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় উদ্বোধনের পর কূপের খননকাজ শুরু করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।

সিলেট গ্যাসফিল্ডসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্রের এক নম্বর কূপ থেকে নতুন করে গ্যাস তোলার জন্য পুনঃখনন শুরু হয়েছে। খননের পর কূপটিতে গ্যাস জ্বালিয়ে পরীক্ষা করা হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ধারণা করা হচ্ছে, দৈনিক প্রায় ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা সম্ভব। পাশাপাশি দৈনিক প্রায় ৯৫ ব্যারেল জ্বালানি তেল উৎপাদনের কনডেনসেট পাওয়া যেতে পারে। এ বছরের নভেম্বর বা ডিসেম্বরের প্রথম দিকে খননকাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সিলেট গ্যাস ফিল্ডস ও শেভরন থেকে উৎপাদিত গ্যাসের পাশাপাশি প্রতিদিন প্রায় চার হাজার ২০০ ব্যারেল কনডেনসেট উৎপাদিত হয়। সেগুলো থেকে প্রতিদিন প্রসেসিংয়ের মাধ্যমে তিন হাজার ৮০০ ব্যারেল জ্বালানি পাওয়া যায়।’

জানা গেছে, সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের আওতাধীন বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্রে দুটি কূপ আছে। এর মধ্যে এক নম্বর কূপ থেকে ১৯৯৯ সালে উৎপাদন শুরু হয়। ২০১৪ সালে তা বন্ধ হয়ে যায়। আবার ২০১৬ সালের শুরুর দিকে উৎপাদন শুরু হয়ে ওই বছরের শেষের দিকে বন্ধ হয়ে যায়। তখন কূপের তিন হাজার ৪৫০ মিটার থেকে গ্যাস উৎপাদন করা হতো। পুনঃখননকাজের মাধ্যমে তিন হাজার ২০০ মিটার থেকে গ্যাস উৎপাদনের সম্ভাবনা আছে। এ জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চালানো হচ্ছে। অন্যদিকে গ্যাসক্ষেত্রের দুই নম্বর কূপ থেকে প্রতিদিন সাত থেকে সাড়ে সাত মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

You might also like