হবিগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

হবিগঞ্জ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে।টানা বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জেলার বন্যা কবলিত এলাকা বেড়ে হয়েছে ৭টি উপজেলার ৫১টি ইউনিয়ন।

জেলার ২২৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে ১৭হাজার ৩৪৭পরিবার। সরকারিভাবে পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সংখ্যা ২৩হাজার ২৩৫টি।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পৌরসভাসহ সকল ইউনিয়ন, নবীগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন,বানিয়াচং উপজেলার সকল ইউনিয়ন,লাখাই উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন, মাধবপুর উপজেলার ৫টি এবং বাহুবল উপজেলার ১টি ইউনিয়ন বন্যাকবলিত হয়েছে।

সরকারিভাবে বুধবার পর্যন্ত বন্যাদুর্গতদের জন্য ১০লাখ টাকা,২০০ মেট্রিক টন চাউল এবং ২হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও বন্যাদুর্গতদের জন্য ৩০টি মেডিক্যাল টিম কাজ করছে।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী বন্যার পানিতে ১৫হাজার ৭১০হেক্টর আউশ, ১৪হাজার ৬৩০ হেক্টর বোনা আমন, ১হাজার ৫৯৭ হেক্টর জমির শাকসব্জি এবং অন্যান্য ফসল ৫০ হেক্টর বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মিনহাজ আহমেদ শোভন জানান, কুশিয়ারা নদীর পানি বুধবার ৮দশমিক ৩০ মিটারে স্থির রয়েছে। সকালে কিছুটা বেড়েছিল। মৌলভীবাজারের খলিলপুর ইউনিয়নের আমরকোনা গ্রামে কুশিয়ারা নদীতে ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় পানি নবীগঞ্জে তীব্র বেগে প্রবেশ করছে। নবীগঞ্জ, বানিয়াচং ও আজমিরীগঞ্জ উপজেলার লোকালয়ে বন্যার পানি আরও বাড়বে।