হোটেল-মোটেল না থাকায় পর্যটক হারাচ্ছে বরগুনার পর্যটনকেন্দ্রগুলো

৯১

হোটেল-মোটেল না থাকায় পর্যটক হারিয়েছে স্বল্প সময়ে জনপ্রিয় বরগুনার সম্ভবনাময় পর্যটনকেন্দ্রগুলো। সংস্কারের অভাবে কেন্দ্রগুলো  সৌন্দর্য্য হারাচ্ছে দিনদিন । পাশাপাশি তীব্র ভাঙনে সাগরে বিলীন হচ্ছে অনেক পর্যটন কেন্দ্র।

সূর্যাস্তের এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য বরগুনা, তালতলীর সোনাকাটা দক্ষিণের ইকোটুরিজ্যমের । তবে এ পর্যন্ত আসার আগে চোখে পরবে মায়াবী হরিন, কাঠ বিড়ালি, কুমির,বানরসহ নানান ধরনের বন্য প্রাণী ।সেই সাথে সুন্দরবনের হাজারো বৃক্ষরাজী তো রয়েছেই। এক সময়ে এসব দৃশ্য দেখতে পর্যটকদের ভিড় থাকতো ১২ মাস।

হোটেল-মোটেল না থাকা ও পর্যটন কেন্দ্রের ভিতরের ব্রীজগুলো ঝুকিপূর্ণ হওয়ায় এখন প্রকৃতির এ সৌন্দর্য্য উপভোগ করার কেউ নেই।

মাথার উপর নীল আকাশ, সামনে সমুদ্রের বিশাল জলরাশি আর পিছনে মন মাতানো ঝাউবনের কারনে স্বল্প সময়ে জনপ্রিয় হয়েছিল তালতলীর শুভ সন্ধ্যা পর্যটনকেন্দ্র। তবে গত দেড় বছর ধরে বীচের পাশ থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করায় প্রায় ৮ থেকে ৯ ফুট দেবে গেছে কেন্দ্রটি। এক কিলোমিটার সিবীচ এখন সমুদ্রগর্ভে। আর বিলীন হয়েছে প্রায় ৬০ হাজার ঝাউগাছ।

এই বনের কর্মকর্তা বলছেন, বেসরকারি কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান আইসোটেক অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় তীব্র ভাঙনে বিলীনের পথে পর্যটনকেন্দ্রটি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যটনকেন্দ্রের সৌন্দ্রর্য্য ফিরিয়ে আনা জরুরি। এতে করে পর্যটকরা যেমন মনোমুগ্ধকর পরিবেশ উপভোগ করতে পারবে,ঠিক তেমনি সরকার পাবে রাজস্ব। জেলা প্রশাসক জানালেন, খুব শীঘ্রই পর্যটনকেন্দ্রগুলোর উন্নয়নের কাজ শুরু হবে।

নিউজ ডেস্ক / বিজয় টিভি

You might also like