‘১৫ আগস্ট খালেদার জন্মদিন পালন করা মানে সেদিনের হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করা’

৮১

১৫ আগস্ট বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন করা মানে সেদিনের সেই নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করা বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। 

সোমবার (১৪ জুন) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীররা খালেদা জিয়ার জন্ম তারিখ নিয়ে ছিনিমিনি করছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

হাছান মাহমুদ তিনি বলেন, পৃথিবীর সব প্রাণী একবার জন্মগ্রহণ করে, মানুষও একবার জন্মগ্রহণ করেন। পৃথিবীর কোনো মানুষ পাঁচ থেকে ছয় বার জন্মগ্রহণ করে না। কোনো মানুষের পাঁচ থেকে ছয়টি জন্ম তারিখ থাকে না, যেহেতু জন্ম একবারই হয়। অন্যান্য প্রাণীর ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য। সব প্রাণী একবারই জন্মগ্রহণ করেছে। একজন মানুষের ছয়টা জন্ম তারিখ হওয়া মানে তার জন্ম তারিখ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা, তারাই সেটা করছে।  

বেগম জিয়ার পাসপোর্ট ও করোনা টেস্ট রিপোর্টে তার জন্ম তারিখের চিত্র নিজের আইপ্যাড থেকে সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলতে চাই, মেট্রিক পরীক্ষার ফরমে খালেদা জিয়ার জন্মতারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ সাল। আবার তার বিবাহ সনদে জন্মের তারিখ উল্লেখ আছে ৫ আগস্ট ১৯৪৪ সাল। ১৯৯১ সালে তিনি যখন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তখন সরকারি নথিতে তার জন্মতারিখ উল্লেখ আছে ১৯ আগস্ট ১৯৪৭ সাল। আর বর্তমানে যে পাসপোর্ট তিনি ব্যবহার করছেন সেখানে তার জন্মতারিখ উল্লেখ আছে ৫ আগস্ট ১৯৪৬ সাল। এবং অতি সম্প্রতি তিনি যে করোনার টেস্ট করেছেন, সেখানে তার জন্মের তারিখ উল্লেখ আছে ৮ মে ১৯৪৬ সাল। কয়টি জন্ম তারিখ হলো।

তিনি আরও বলেন, কোনো সরকারি নথিতে কোনো জায়গায় বেগম খালেদা জিয়ার জন্মের তারিখ ১৫ আগস্ট উল্লেখ নাই, অথচ বিএনপি’র পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার জন্মতারিখ বলে ১৫ আগস্ট কেক কাটা হয়’ উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে ১৫ আগস্ট কেক কাটা হয় সেদিনের হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করার জন্য, হত্যাকারীদের উৎসাহ দেয়ার জন্য, ১৫ আগস্টের এই মর্মান্তিক ঘটনাকে উপহাস করার জন্য।

You might also like