২০২০র সবথেকে কাঙ্খিত পুরুষের শিরোপা পেলেন সুশান্ত সিং

৬৮

কথায় বলে, মানুষের মৃত‍্যুর পর তার গুরুত্ব বোঝা যায়। আর একথা অক্ষরে অক্ষরে ফলে গিয়েছে সুশান্ত সিং রাজপুতের  ক্ষেত্রে। জীবিতাবস্থায় পাননি উপযুক্ত মর্যাদা। বরং অভিযোগ ওঠে তথাকথিত ইন্ডাস্ট্রির বহিরাগত হওয়ায় একঘরে করে রাখা হয়েছিল তাঁকে।

দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার ‘মোস্ট ডিসায়ারেবল ম‍্যান অফ ২০২০’র  খেতাব পেয়েছেন প্রয়াত এই অভিনেতা। সেরাদের তালিকায় মূলত হিন্দি ইন্ডাস্ট্রির তারকাদেরই জয়জয়কার। তবে সবাইকে ছাপিয়ে শীর্ষস্থানে জ্বলজ্বল করছে সুশান্তের ছবি।

২০১৩ সালে ‘কাই পো চে’মধ্য দিয়ে বলিউডের বড় পর্দায়  অভিষেক ঘটে সুশান্তের। একই বছরে মুক্তি পায় ‘শুদ্ধ দেশি রোম্যান্স’। ২০১৬ সালে ‘ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ মুক্তির পর তাঁকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একে একে মুক্তি পায় ‘ছিঁছোড়ে’, ‘কেদারনাথ’, ‘রাবতা’, ‘তাকাডুম’, ‘দিল বেচারা’সহ বেশ কিছু ছবি।

একাধারে দার্শনিক ও শিল্পী ছিলেন সুশান্ত। শুধুমাত্র সিনেমার গণ্ডিতে বাঁধা ছিল না তাঁর জগৎটা। তাঁর ইচ্ছের তালিকায় সিনেমা বা টাকা কখনোই স্থান পায়নি। বরং সুশান্তের পছন্দের তালিকায় ছিল সৌরজগৎ, নাসা বা সার্ন । বাড়িতেই অত‍্যাধুনিক টেলিস্কোপ বসিয়েছিলেন সুশান্ত। বেশিরভাগ সময়টাই তাঁর কাটতো ওই টেলিস্কোপে চোখ লাগিয়ে।

গত বছর ১৪ জুন না ফেরার দেশে পাড়ি দেন সুশান্ত সিং রাজপুত। বান্দ্রার ফ্ল‍্যাট থেকে মেলে তাঁর ঝুলন্ত দেহ। তারপর থেকে বছর ঘুরতে চললেও সুরাহা হয়নি তাঁর মৃত‍্যু রহস‍্যের। তবে হাল ছাড়েননি অভিনেতার অনুরাগীরা। তাদের বিশ্বাস সুশান্ত এখনো জীবিত রয়েছেন, মানুষের চিন্তায়।

You might also like