৫৩-তে বলিউডের স্মাইল কুইন মাধুরী দীক্ষিত

মোহিনী বা নিশা কিংবা ধাক ধাক গার্ল, যে নামেই তাকে ডাকা হোক তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত। মাধুরী দীক্ষিতের জন্ম ১৯৬৭ সালে মুম্বায়ের একটি মারাঠি পরিবারে। বাবা শঙ্কর দীক্ষিত আর মা স্নেহলতা দীক্ষিত।

মাধুরী খুব ছোট বেলা থেকেই ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্য কত্থকের তালিম নেন। মুম্বায় বিশ্ববিদ্যালয়য়ে মাইক্রোবায়োলজি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি। নায়িকা হবার কোন ইচ্ছাই ছিলিনা তার। কিন্তু ভাগ্য যখন তাকে পর্দায় হাজির করলো তখন সবার চোখ আটকে গেলো।

রুপালী পর্দায় মাধুরীর অভিষেক ১৯৮৪ সালে ‘অবোধ’ সিনেমা এর মধ্য দিয়ে। সিনেমাটি ব্যাবসা সফল হয়নি কিন্তু মাধুরীর অভিনয়ের প্রশংসা পেয়েছিলো। অবোধের পর দু’একটা সিনেমায় অভিনয় করেছেন মাধুরী। কিন্তু তখনও সফলতা আসেনি মাধুরীর ভাগ্যে।

১৯৮৮ সালে চন্দ্রশেখর নারভিকার সিনেমা বানালেন ‘তেযাব’। অনিল কাপুরের বিপরীতে অভিনয় করলেন মাধুরী। সিনেমার এক দো তিন গানটি হল সুপার হিট। মাধুরী রাতারাতি বনে গেলেন সুপারস্টার। বলিউডের মোহিনী।

তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি মাধুরীকে। আশি ও নব্বয়ের দশকে বলিউডে রাজ করেছেন তিনি। বিনোদ খান্না থেকে অক্ষয় খান্না সবার সঙ্গেই সমান ভাবে দেখিয়েছেন তার অভিনয়ের জাদু।

বিখ্যাত চিত্রকার মকবুল ফিদা হুসেন মাধুরী অভিনীত ‘হাম আপকে হ্যায় কোন’ সিনেমাটি ষাট বার দেখেছিলেন। মাধুরীকে নিয়ে পরবর্তীতে তিনি ‘গাজ গামিনি’ ছবিও নির্মাণ করেন। ২০০৩ সালে তাকে নিয়ে সিনেমা তৈরি হয় ‘ম্যায় মাধুরী দীক্ষিত বান না চাহ তি হু’। ফোর্বস ইন্ডিয়ান সেলিব্রেটিদের তালিকায় তিনি ছিলেন সাতবার।

১৯৯৯ সালে বিয়ে করেন ডাঃ শ্রী রাম নেনে কে। বিয়ের পর পর্দায় ফিরেছেন দেবদাসের চন্দ্রমুখী হয়ে। ২০০৭ সালে প্রবাস জীবন শেষ করে ভক্তদের পর্দায় উপস্থিত হয়ে বলেছেন ‘আজা নাচলে’।

অভিনয় করেছেন সত্তরের বেশি সিনেমায়। অর্জন করেছেন ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, পাদ্মশ্রিসহ অসংখ্য পুরস্কার। লিভিং লিজেন্ট মাধুরী দিক্ষিতের ৫৩ তম জন্মদিন গেল শুক্রবার।

মাধুরী দীক্ষিতের জন্মদিনে বিজয় টিভির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা।

অনলাইন নিউজ ডেস্ক/বিজয় টিভি

You might also like