৯৩তম অস্কারের দৌড়ে বিতর্কিত মালায়াম ছবি ‘জাল্লিকাট্টু’

৭৭

ভোঁসলে’, ‘দ্য ডিসাইপল’, ‘ছলাঙ্গ’, ‘শকুন্তলা দেবী’, ‘গুঞ্জন সাক্সেনা’, ‘ছপাক’, ‘গুলাবো সিতাবো’, ‘চেক পোস্ট’, ‘সিরিয়াস মেন’, ‘দ্য স্কাই ইজ পিঙ্ক’-এর মতো ২৭টি ছবির মধ্যে থেকে ‘জাল্লিকাট্টু’-কে অস্কারে পাঠানোর জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। ছুটন্ত ষাঁড়কে কৌশলে কাবু করার খেলা তামিলনাড়ুতে জাল্লিকাট্টু হিসেবে পরিচিত। ছবির বিষয়বস্তুও তাই।

দাক্ষিণাত্যের সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত জাল্লিকাট্টুর ঐতিহ্য। দু’হাজার বছরেরও পুরনো এই খেলায় ষাঁড়ের কুঁজ ছুঁয়ে থাকতে হয় নির্দিষ্ট সময় ধরে কিংবা দূরত্ব বজায় রেখে।

জঙ্গলের পাশে একটা গ্রাম। একদিন একটি উন্মত্ত মহিষ গ্রামে ঢুকে পড়ে। লন্ডভন্ড হয়ে যায় গ্রাম। এমন পরিস্থিতিতে মানুষ আর পশুর পার্থক্য ক্রমে লীন হয়ে আসে। মানুষ হয়ে ওঠে পশুর চেয়েও অধম। সাম্প্রতিক অতীতে যে খেলাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। গোটা ছবিতে মাত্র একটি রাতের কাহিনি দেখানো হয়েছে। তাতেই চোখে আঙুল দিয়ে মানুষের আদিম প্রবৃত্তিগুলি দেখিয়ে দিয়েছেন পরিচালক।

ফিল্ম ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া জুরিবোর্ডের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘জাল্লুকাট্টি’ আঞ্চলিক ভাষার ছবি, ছোট্ট গ্রামের গল্প। কিন্তু গল্পটা যেকোনো দেশের, যেকোনো ভাষার, যেকোনো বর্ণের, ধর্মের। সবচেয়ে বড় কথা, যেকোনো সময়ের মানুষের কাছে সমান প্রাসঙ্গিক, একই অর্থ নিয়ে উপস্থিত। বার্তাটা অত্যন্ত আদিম আর মৌলিক।

নিউজ ডেস্ক/বিজয় টিভি

You might also like