যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে দেশের কূটনীতিকদের নির্দেশ দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। দুপক্ষের আলোচনা শুরু হলে তা চলমান সামরিক উত্তেজনা কমিয়ে আনতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মাসুদ পেজেশকিয়ান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘ন্যায়সঙ্গত ও ন্যায্য আলোচনা’ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। চলমান উত্তেজনা কমাতে তুরস্ক আয়োজিত আলোচনায় অংশ নিতে ইরান প্রস্তুত– এ ঘোষণা সেটিকেই ইঙ্গিত করছে বলে মনে করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে যুদ্ধ জাহাজ মোতায়েন করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েকবার হুমকি দিয়েছেন। তবে, গত সপ্তাহের শেষ থেকে সোমবার পর্যন্ত উভয়পক্ষের বিভিন্ন মন্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে, পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক আলোচনা এগিয়ে চলছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে পেজেশকিয়ান লিখেছেন, আমি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে উপযুক্ত পরিবেশে ‘হুমকি ও অপ্রয়োজনীয় প্রত্যাশামুক্ত’ ন্যায়সংগত ও ন্যায্য আলোচনা চালিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছি। যেটি মর্যাদা, বিচক্ষণতা এবং সমান সুযোগের নীতি মেনে চলবে।
তেহরান সোমবার বলেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা কমাতে এ অঞ্চলের দেশ– কাতার, তুরস্ক, মিশর ও ওমানের উপস্থাপন করা বিভিন্ন কূটনৈতিক প্রক্রিয়া যাচাই করে দেখছে। এর মাধ্যমে তারা আগামী দিনে আলোচনার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো পাওয়ার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছিল।
একই দিন বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী শুক্রবার ইস্তাম্বুলে একটি আলোচনার আয়োজন করা হচ্ছে। যেখানে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি অংশ নিতে পারেন। তবে তেহরান বা ওয়াশিংটন– কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত এই প্রতিবেদনগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেনি।