আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সাথে সংস্কারের গণভোট।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে সাতটায় শুরু হয়ে ভোট চলবে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত। ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হবে।
ভোটাররা দুটি ব্যালট পেপারে ভোট দেবেন। একটি সাদা ব্যালট, এটি হবে সংসদ সদস্য নির্বাচনের ব্যালট। আর গোলাপি ব্যালট হবে গণভোটের।
ভোটগ্রহণ শেষে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটের প্রথম বেসরকারি ফলাফল প্রকাশ করবেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা। তারপর রিটার্নিং অফিসার ও পরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ফলাফল ঘোষণা করবে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালের মধ্যে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার আশা করছে ইসি। তবে ভোটগ্রহণ চলাবস্থায় চারবার ভোট পড়ার হারের অগ্রগতি নেবে ইসি।
গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দেড় বছর পর নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ব্যালটে নিজেদের পছন্দ জানাবেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ভোটার। দিনটিকে মর্যাদা রক্ষার লড়াই হিসেবে দেখছে নির্বাচন কমিশন।
সারাদেশে মোট ভোটকেন্দ্র ৪২ হাজার ৭৭৯টি। এর মধ্যে ২১ হাজার ৫০৬টি ভোটকেন্দ্রকে নানা কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারের ভোটের গুরুত্ব অনেক। তাই বাড়তি সতর্কতা জরুরি।