চট্টগ্রামে রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯ জনের মধ্যে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি ৭ জন রাজধানীর বার্ন ইন্সটিটিউটে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
গতকাল বিকাল ৫টা নাগাদ ঢাকায় আনার পথে মৃত্যু হয় নুরজানহান বেগমের। পরে তার মরদেহ রাত ১টার দিকে চট্টগ্রামের দেওয়ান হাটে তার বাবার বাড়িতে নেয়া হয়। রাতেই জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় নুরজাহানকে।
এদিকে, সকাল ৭টায় নুরজাহানের ছেলে ১৭ বছর বয়সী শাওন রাজধানীর বার্ন ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। স্বজনরা জানিয়েছেন, তাকে কুমিল্লায় তার দাদার বাড়িতে দাফন করা হবে।
এর আগে, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে হালিশহর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস জানায়, ভোর সাড়ে চারটায় হালিমা মঞ্জিল নামে একটি ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে হঠাৎ বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন তারা। তবে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই দগ্ধ ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় বাসিন্দারা।
প্রাথমিকভাবে ধারণা হচ্ছে, রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণ হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, ওই বাসায় এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয় না। তবে কোনো কারণে চুলা থেকে গ্যাস লিক হয়ে রান্নাঘরে গ্যাস জমে এমন ঘটনা ঘটেছে।সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে হালিশহর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

