ঈদের ব্যস্ততা ও ঈদের পরিকল্পনা নিয়ে কথা হয় জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী স্বপ্নীল সজীবের সঙ্গে।
এবছর ঈদ কোথায় করবেন?
গত বছর আমি আমেরিকায় একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার কারণে সেখানেই ঈদ করতে হয়েছিল। এবছর আমি ঈদ করতে এসেছি আমার নানা বাড়ি ফরিদপুরে। এখানেই আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা।
ঈদ নিয়ে পরিকল্পনা?
ঈদের দিন মানেই আনন্দ। নামাজ পড়া বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করা এগুলোই পরিকল্পনা আছে। পাশাপাশি আমার সহকর্মীদের অনেক কাজ ঈদে মুক্তি পাবে সেগুলো দেখার ইচ্ছে আছে।
ঈদের দিন কী কী করা হয়?
ঈদের দিন সকালটা শুরু হয় নামাজের মাধ্যমে। এরপর পরিবারের সবার সাথে মিষ্টি মুখ করি। আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের সাথে কুশল বিনিময় করতে ভালো লাগে। আর দেশে-বিদেশে যারা আমার সহকর্মী, ভক্ত এবং শুভানুধ্যায়ী আছেন, তাদের সঙ্গেও ঈদের আনন্দটা ভাগ করে নেওয়ার চেষ্টা করি, কারণ ঈদ মানেই তো মেলবন্ধন।
ঈদের জন্য কী কী কেনাকাটা করেছেন?
বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য সারা বছরই কেনাকাটা করতে হয়, তাই আলাদা করে ঈদের জন্য সেরকম কিছু কেনা হয়নি। তবে আমার স্কুলের সুবিধা-বঞ্চিত শিশু এবং দুঃস্থ মানুষজন যারা আছেন, তাদের জন্য আমি কেনাকাটা করেছি।
সালামী পেতে নাকি দিতে বেশি পছন্দ?
অবশ্যই সালামি পেতে ভালো লাগে, কিন্তু দিন দিন বয়স বাড়ছে, তাই এখন আর সেভাবে সালামি পাওয়া হয় না। বেশিরভাগ সময় দেখা যায় যে আমার নানা বা নানি, তারাই আসলে আমাকে সালামি দিয়ে থাকে। এখন আর আগের মতো ছোটবেলার মতো সালামি পাই না, তবে আমি সালামি দেই এবং ঈদটাকে ভাগ করে নেওয়ার চেষ্টা করি ছোটদের সাথে।
ঈদে সব থেকে বেশি কী মিস করেন?
বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঈদের আমেজটা যেন একটু কমে যাচ্ছে। ছোটবেলার সেই হইহুল্লোড়, ঈদের আলাদা আমেজ— এখন আর সেভাবে পাওয়া যায় না। কাজের ব্যস্ততায় পরিবারকে সময় দেওয়া হয় না, তবে ঈদ আসলে পরিবারকে সময় দেওয়ার সুযোগ পাই, আর তখনই মূলত উপভোগ করি। ঈদের দিন সবচেয়ে বেশি মিস করি আমার বাবাকে। তাকে সালাম করা, একসাথে নামাজ পড়তে যাওয়া— এই স্মৃতিগুলো আজও মনে পড়ে। গত দুই বছর হলো তিনি আমাদের মাঝে নেই, তাই তাকেই সব থেকে বেশি মিস করি।

