বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে আরেকটি সোনালি অধ্যায় যোগ করলেন লিওনেল মেসি। পেশাদার ক্যারিয়ারে ৯০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করে নিজেকে নিয়ে গেলেন এক অনন্য উচ্চতায়। তবে ব্যক্তিগত এই অবিশ্বাস্য অর্জনের রাতেই দলীয় ব্যর্থতায় ম্লান হয়ে গেল সব আনন্দ।
কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ইন্টার মায়ামি মুখোমুখি হয়েছিল ন্যাশভিল এসসি-এর। এদিন, ম্যাচের শুরুতেই আলো ছড়ান মেসি। সপ্তম মিনিটে বক্সের ভেতর বল পেয়ে নিজের চিরচেনা বাম পায়ের শটে জাল খুঁজে নেন তিনি। সেই গোলেই ইতিহাসের দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে স্পর্শ করেন ৯০০-এর জাদুকরী মাইলফলক। এর আগে এই কীর্তি গড়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। তবে তার চেয়ে ৯৬টি ম্যাচ কম খেলেই এ উচ্চতায় পৌঁছে গেছেন এ আর্জেন্টাইন সুপারস্টার।
পুরো ম্যাচে আধিপত্য ছিল মায়ামিরই। বল দখল, শট—সব দিক থেকেই এগিয়ে ছিল তারা। তবে সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হওয়ায় ব্যবধান বাড়েনি। আর সেটাই শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়ায়।
৭৪তম মিনিটে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড ক্রিস্তিয়ান এস্পিনোসার গোলে সমতায় ফেরে ন্যাশভিল। সেটিই হয়ে ওঠে ম্যাচের মোড় ঘোরানো মুহূর্ত। শেষ দিকে বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেও জয়ের গোল আদায় করতে পারেনি মায়ামি।
এতে প্রথম লেগ গোলশূন্য ড্র হওয়ার পর দ্বিতীয় লেগে ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ। কিন্তু অ্যাওয়ে গোলের নিয়মে এগিয়ে থেকে পরের রাউন্ডে উঠে যায় ন্যাশভিল, আর টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয় মায়ামিকে। ফলে, ৯০০ গোলের ঐতিহাসিক রাতে ব্যক্তিগত গৌরব পেলেও দলীয় ব্যর্থতায় বিষাদ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হলো আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর লিনেল মেসিকে।
এদিকে, এই হারে হতাশ কোচ হাভিয়ের মাশচেরানো দায় নিয়েছেন নিজের কাঁধে। তার মতে, খেলোয়াড়রা সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেও ভাগ্য সহায় হয়নি।

