বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেন, তিনদিন অফিস করেছি, এর মধ্যে থার্ড টার্মিনাল নিয়ে কি করা যায় তা নিয়ে কাজ করছি। সামনে হজ্জ যাত্রীদের জন্য কাজ করতে হবে এবং প্রবাসীরা যেন এয়ারপোর্টে নেমে মনে করে দেশে একটা পরিবর্তন এসেছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মানিকগঞ্জ সার্কিট হাউজে ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, দ্বায়িত্ব নেওয়ার পর দেখছি প্রচুর কাজ পড়ে আছে, সেই কাজগুলো সম্পর্কে বুঝতে হবে এবং ধীরে ধীরে করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কথা আপনারা শুনেছেন, তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোরভাবে নেমেছেন, আমাদেরও সতর্কতার সঙ্গে সততা নিয়ে কাজ করতে বলেছেন। যেহেতু তিনি আমার ওপর আস্তা রেখে এই দ্বায়িত্ব দিয়েছেন এবং আমি সততার সঙ্গে আমার কাজ টুকু করতে চাই।
মন্ত্রী আরও বলেন, জেলার বালিয়াটি জমিদারবাড়ি, তেওতা জমিদারবাড়িতে কোনো ধরনের সংস্কার করা হয়নি। মানিকগঞ্জে অনেক ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে সেগুলো নিয়ে কাজ করবো।
পদ্মা নদী ও তীর অনেকের কাছে পছন্দের জায়গা যার কারণে নদীশাসন করে পর্যটকদের জন্য কাজ করবো।
মন্ত্রী আরও বলেন, আমার পৃথিবী এই মানিকগঞ্জকে নিয়ে, আমি এই জেলার জন্য কাজ করতে পারি সেজন্য সবারর সহোযোগিতা ও দোয়া চাই। ভোটের মাঠে যখন গিয়েছি, সবাই যে আন্তরিকতার সঙ্গে আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন, তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমি আমার জনগণের কাছে গিয়ে যে কমিটমেন্ট করে আসছি, তাদের পাশে থাকার যে অঙ্গীকার করেছি তা যেন ধরে রাখতে পারি।
তিনি বলেন, আমি আমার বাবা প্রয়াত মন্ত্রী হারুনার রশীদ খান মুন্নুর উত্তরাধিকার হয়ে আপনাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। এই মানিকগঞ্জ নিয়ে আমার বাবার যে স্বপ্ন ছিল তা আপনাদের সঙ্গে নিয়ে পূরণ করতে চাই। এছাড়া আমার যে প্রতিশ্রুতি আছে তা যেন বাস্তবায়ন করতে পারি, সেই চেষ্টা আমার থাকবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহরম আলী, মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক শাহানুর ইসলাম, সাবেক সভাপতি গোলাম সারোয়ার ছানু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অতিন্দ্র চক্রবর্তী বিপ্লব, ডিআরইউ সভাপতি বিএম খোরশেদ, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম লিটন, সম্পাদক পরিষদের সভাপতি শহিদুল ইসলাম সুজন, সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেনসহ জেলার প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা।

