শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি দেখে পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এমনটা জানান তিনি।
সম্প্রতি সব দেশের জন্য মার্কিন সরকারের নতুন করে শুল্ক আরোপ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ট্যারিফের ইস্যুটা এখনও বিকাশমান। নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের সব দেশের জন্য ১৫ শতাংশ ট্যারিফ ঘোষণার কথা শুনেছি। তবে এ বিষয়ে লিখিত কোনোকিছু পাইনি
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে, সেটি নিয়ে এখনও বলার মতো কোনো অবস্থান তৈরি হয়নি। সেই চুক্তিতে পক্ষে-বিপক্ষে কী আছে, সেগুলো দেখা হচ্ছে। চুক্তির বিভিন্ন ধারা থাকে, সব পক্ষে কিংবা বিপক্ষে থাকে এমন না। চুক্তিটি দেখে করণীয় ঠিক করা হবে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ট্যারিফ নিয়ে চুক্তি একটি সেনসিটিভ ইস্যু, আমাদের দেশটাও সেনসিটিভ। যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ট্যারিফ ইস্যুটা এখনও বিকাশমান, সে কারণে এ বিষয়ে এখন কোনো মন্তব্য করতে চাই না।
নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যে পণ্যগুলো বাইরে থেকে এনে মার্কেটকে সাপোর্ট করে, সেগুলোর মূল্য স্থিতিশীল আছে। তবে বিক্রেতার মধ্যে কেউ কেউ থাকেন, যারা পরিস্থিতির বা বিভিন্ন শূন্যতার সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ৪০-৫০ টাকার লেবু ১২০ টাকায় যাওয়ার কোনো কারণ ছিল না। তিন দিনের মধ্যে দাম আবার ৪০ টাকায় ফেরত এসেছে। তার মানে কোনো শূন্যতা ছিল না। কিছু মানুষ সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করেছেন। এছাড়া বাজার স্থিতিশীল আছে।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, টিসিবির ট্রাকের ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এমন ঘটনা দেখামাত্রই মন খারাপ হয়ে যায়, এগুলো হওয়া উচিৎ না। বিভিন্ন জায়গায় ট্রাক সেলের সঙ্গে যারা জড়িত, তারা সচেতন থাকবেন যেন এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।
এ সময় চাঁদাবাজি বন্ধের ক্ষেত্রে আশ্বাস নয়, বরং কাজ করে দেখানোর কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

