ইরানের তেল রপ্তানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ৩০ দিনের জন্য শিথিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এটি শুধুমাত্র সাগরে থাকা তেলের ওপর কার্যকর হবে। অর্থাৎ ইরানের যেসব তেল এখন বিভিন্ন জাহাজ বা ট্যাংকারে রয়েছে সেসব তেল বিশ্বের আমদানিকারক দেশগুলো কিনতে পারবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল ইরানে যৌথ হামলার পর ইরান গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়তে থাকে। এই পরিস্থিতি দূর করতে এখন ইরানি তেলে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করল যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে এক পোস্টে স্থানীয় সময় শুক্রবার (২০ মার্চ) বলেছেন, তাদের এ উদ্যোগের কারণে বিশ্ববাজারে প্রবেশ করবে ইরানের ১৪০ মিলিয়ন ব্যারল তেল। যেগুলো বর্তমানে জাহাজে লোড করা অবস্থায় আছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্ত ইঙ্গিত করছে, ট্রাম্প প্রশাসন এখন উদ্বিগ্ন যে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে তেলের সংকট যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসার ক্ষতি করতে পারে এবং তাদের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে। অর্থাৎ কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির।

