বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেছেন, জেরুজালেম এখনও গাজার বর্তমান এবং ভবিষ্যতের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। ইসরায়েল নির্ধারণ করবে যে উপত্যকায় কোন দেশের সেনা মোতায়েন করা যেতে পারে।
টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা উপত্যকার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ওয়াশিংটন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে এমন ক্রমবর্ধমান গুঞ্জনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (২৬ অক্টোবর) নেতনিয়াহু জোর দিয়ে বলেন, ‘ইসরায়েল একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র যা জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেয়।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘ইসরায়েল নির্ধারণ করবে কোন দেশগুলোকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনার কাঠামোর মধ্যে গাজায় সেনা পাঠানোর অনুমতি দেয়া হবে।’ ওয়াইনেট নিউজ আউটলেট জানায়, যুদ্ধবিরতির মধ্যেই শনিবার মধ্য গাজায় একটি ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ অপারেটিভকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় আইডিএফ। দাবি করা হচ্ছে যে, ইসরায়েলি সেনাদের বিরুদ্ধে আক্রমণের পরিকল্পনা করছিল গোষ্ঠীটি।
এর আগে ট্রাম্পের গাজা চুক্তির প্রথম ধাপ বাস্তবায়ন তদারকি করতে গত সপ্তাহে ইসরায়েলে এসেছিলেন একদল জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা।
গত সপ্তাহে রাফায় এক মারাত্মক হামলায় দুই আইডিএফ মেনা নিহত হয়। ওই হামলার জন্য হামাসকে দায়ী করে আইডিএফ এবং প্রতিক্রিয়ায় গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে তীব্র হামলা শুরু করে। কিন্তু জেরুজালেমের ওপর মার্কিন চাপ প্রয়োগের পর দ্রুত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি একটি জিনিস স্পষ্ট করতে চাই-আমাদের নিরাপত্তা নীতি আমাদের নিজস্ব হাতে, আমরা আমাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ সহ্য করব না, আমরা আমাদের বিবেচনার ভিত্তিতে আক্রমণের জবাব দিই, যেমনটি আমরা লেবাননে এবং সম্প্রতি গাজায় করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দুই সেনার ওপর হামলার পর আমরা হামাস এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর ওপর ১৫০ টন বোমা নিক্ষেপ করেছি। অবশ্যই আমরা বিপদ তৈরি হওয়ার আগে তা প্রতিহত করি। ইসরায়েল এর জন্য কারও অনুমোদন চায় না।’ এর আগে নেতানিয়াহুর কার্যালয় গত সপ্তাহে টাইমস অফ ইসরায়েলকে জানায়, তুর্কি সেনা মোতায়েনের বিষয়টি মেনে নেবে না তারা।

