যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় অ্যামাজনের একটি কার্গো বিমান দুর্ঘটনায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর বিমানটিতে আগুন ধরে যায় এবং এটি একাধিক যানবাহনে ধাক্কা দেয়। এতে আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। দুর্ঘটনার পর বিমানবন্দরের কার্যক্রমও সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
পুয়ের্তো রিকোর সান হুয়ান থেকে বিমানটি মিয়ামিতে আসছিল। মিয়ামি-ডেড কাউন্টির কর্মকর্তারা এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। বাকি দুজনকে কম গুরুতর আঘাত নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মিয়ামি-ডেড ফায়ার রেসকিউ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর বিমানটিতে আগুন ধরে যায় এবং পথে থাকা ‘একাধিক যানবাহনে’ আঘাত করে। আগুন নেভানো এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের অবস্থা যাচাই করতে ৬০টির বেশি ফায়ার ও রেসকিউ ইউনিট কাজ করেছিল।
ফায়ার রেসকিউ প্রধান রে জাদাল্লাহ বলেন, দুর্ঘটনার পর কয়েকটি মোটরচালিত যানবাহনের ভেতরে কিছু মানুষ আটকা পড়েছিলেন। বিমানের ভেতরেও পাইলট ও কো-পাইলট আটকা পড়েন। বিমানে মোট কতজন ক্রু বা যাত্রী ছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এদিকে অ্যামাজনের এক মুখপাত্র জানান, বিমানটি ২১ এয়ার পরিচালনা করছিল এবং অবতরণের সময় একটি ‘ঘটনা’ ঘটে। অ্যামাজনের মুখপাত্র কেলি ন্যানটেল বলেন, ‘ঠিক কী ঘটেছে, তা জানতে আমরা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি। এই মুহূর্তে ঘটনায় জড়িত সবার নিরাপত্তা, সুস্থতা ও যত্নই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় আমরা সম্ভব সবকিছু করছি।’
এদিকে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে রানওয়ের কাছে দুর্ঘটনাস্থল থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। অবশ্য আগুন লাগলেও বিমানটির বড় অংশ অক্ষত ছিল বলে দেখা গেছে।

