বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ এবং দামের ওপর প্রভাব বিবেচনায় গত কয়েক মাসে রাশিয়ার ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রাখার পাশাপাশি জ্বালানির বাজার স্থিতিশীল রাখার বিষয়টিও যুক্তরাষ্ট্রকে বিবেচনায় নিতে হচ্ছে।
রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ভারতের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার চেষ্টা করছে এবং চুক্তিটি সম্পন্ন করার খুব কাছাকাছি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত ছাড় কিংবা এ ধরনের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট যখন কোনো সিদ্ধান্ত নেন, তখন বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় রাখা হয়। প্রতিটি দেশের ক্ষেত্রেই এমন অনেক জটিল বাস্তবতা রয়েছে, যেগুলো পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণের সময় গুরুত্ব পায়।
রুবিওর ভাষ্য অনুযায়ী, ভৌগোলিক অবস্থানও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। কিছু দেশের পক্ষে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করা অত্যন্ত কঠিন। যদিও এটিকে কোনো অজুহাত হিসেবে দেখছেন না তিনি, তবে পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে এসব বাস্তবতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি বলে মন্তব্য করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
রাশিয়ার জ্বালানি খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থান থেকে স্পষ্ট, জ্বালানির বৈশ্বিক সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখার বিষয়টি ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা হিসেবে কাজ করছে।

