যুক্তরাষ্ট্র উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে চলতি সপ্তাহে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন গুঞ্জন জোরালো হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সুদবিহীন সম্পদ স্বর্ণের দামে বড় পতন ঘটেছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টা ৭ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩০৮ দশমিক ২৪ ডলারে নেমে এসেছে। আর ডিসেম্বরে সরবরাহযোগ্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৪৮ দশমিক ৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
ইউবিএস-এর বিশ্লেষক জিওভানি স্তাউনোভো বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘গত সপ্তাহে মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের পর বিনিয়োগকারীরা এখন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বাড়ানোর বিষয়ে একরকম নিশ্চিত। একই সময়ে, তেলের দাম নতুন করে বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে।’
সিএমই ফেডওয়াচ টুলের হিসাব অনুযায়ী, ব্যবসায়ীরা চলতি সপ্তাহে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি নির্ধারণী বৈঠকে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা প্রায় ৮৯ শতাংশ ধরে নিচ্ছেন। গত সপ্তাহে মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের আগে ছিল প্রায় ৬৭ শতাংশ।
গোল্ডম্যান স্যাকস এবং এইচএসবিসি-র মতো শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকগুলো এখন ধারণা করছে, আগামী মঙ্গল ও বুধবারের নীতি নির্ধারণী বৈঠকে সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়াতে পারে ফেডারেল রিজার্ভ।
অন্যান্য ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ১ দশমিক ৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৩ দশমিক ২২ ডলারে নেমেছে। এ ছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ১ হাজার ৭৭০ দশমিক ৮২ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দামও সমান ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৮০ দশমিক ৯৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে দেশের বাজারে এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারের দাম পড়ছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম এক লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

