তিন মাস নিষেধাজ্ঞার পর আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে সুন্দরবনে প্রবেশের অনুমতি পেয়েছেন জেলে, বাওয়ালি, মৌয়াল ও পর্যটকেরা। এদিকে, পর্যটকদের বরণ করতে প্রস্তুত পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া জীবিকা সংগ্রহে বনজীবীরাও প্রবেশ করতে শুরু করেছেন বনে।
বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গত ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে প্রবেশে পুরোপুরি নিষিদ্ধ ছিল। তিন মাস পর আজ থেকে বন উন্মুক্ত হওয়ায় আনন্দ থাকলেও জেলেদের অভিযোগ, সুন্দরবনে প্রবেশ করতে হলে দস্যুদের অগ্রিম টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে নৌকা আটকে জিম্মি করা, মারধর, এমনকি হত্যার হুমকিও পেতে হয় তাদের।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সুন্দরবনে প্রবেশ ও মাছ-কাঁকড়া আহরণের ঘটনায় গত তিন মাসে ৫৫টি মামলা করেছে বন বিভাগ। এসব ঘটনায় ৪৪ জনকে আটকও করা হয়েছে।
বন বিভাগ বলছে, সুন্দরবনে দস্যুতা দমনে তাদের অভিযান চলমান রয়েছে। বন খোলার আগে বনজীবীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বেশ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়েছে। এ জন্য কোস্টগার্ড, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতাও নেওয়া হয়েছে।
সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান জানান, ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবন খুলে দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। দস্যুতা দমনে কোস্টগার্ড, র্যাবসহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা নেয়া হয়েছে।

