অনুমোদনের বাইরে থাকা ওয়্যারহাউসে বন্ড সুবিধায় আমদানি করা শুল্কমুক্ত পণ্য মজুতের সন্ধান পাওয়ায় রাজধানীর দক্ষিণ গুলশানে ‘টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেডের’ চারটি ওয়্যারহাউজ সিলগালা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানের পর এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে এনবিআর জানিয়েছে।
এনবিআর জানায়, টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেডের অনুমোদিত বা ঘোষিত ওয়্যারহাউসের সংখ্যা দুটি। তবে সরেজমিনে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির মোট চারটি ওয়্যারহাউসে পণ্য মজুতের তথ্য পাওয়া যায়। এর মধ্যে দুটি ওয়্যারহাউজ অনুমোদিত তালিকার বাইরে বলে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়। বিশেষ করে বন্ড সুবিধায় আমদানি করা শুল্কমুক্ত পণ্য অনুমোদিত ওয়্যারহাউসের বাইরে কীভাবে রাখা হয়েছে এবং সেখান থেকে কোনো পণ্য স্থানান্তর বা অপসারণ করা হয়েছে কিনা, তা যাচাই করার কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানায়, বন্ড সুবিধায় আমদানি করা পণ্য নির্ধারিত ও অনুমোদিত স্থানে সংরক্ষণ করার বিধান রয়েছে। অনুমোদিত ওয়্যারহাউজের বাইরে এসব পণ্য পাওয়া গেলে তার বৈধতা, মজুতের হিসাব এবং পণ্য স্থানান্তরের অনুমোদনসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো যাচাই করা প্রয়োজন। এসব কারণেই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওয়্যারহাউজগুলো সিলগালা রাখা হয়েছে।
মেসার্স টস বন্ড লিমিটেডের বিরুদ্ধে বিশেষ সুবিধায় কূটনীতিকদের নামে মদ এনে বিক্রি করার অভিযোগ বেশ পুরোনো। ২০২৩ সালে ডিপ্লোম্যাটিক বন্ডের আওতায় মদ এনে সরকারের ২৪৯ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতির প্রমাণ পেয়েছিল এনবিআরের শুল্ক বিভাগ।

