শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ সংসদীয় আসনে উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যালট পেপারের মাধ্যমে এই ভোট গ্রহণ চলে। এখন আসনগুলোতে ভোট গণনার কাজ চলছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে আসনটিতে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই সঙ্গে তিনি ঢাকা-১৭ আসনেও বিজয়ী হন। পরে তিনি বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেন।
বগুড়া সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এই আসন। উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম (বাদশা) ধানের শীষ, জামায়াতের আবিদুর রহমান (সোহেল) দাঁড়িপাল্লা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির প্রার্থী আল আমিন তালুকদার ফুলকপি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ধানের শীষের প্রার্থী রেজাউল করিম বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র। আর জামায়াতের প্রার্থী আবিদুর রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনেও এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর কারণে এই আসনে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল। পরে তার ছোট ভাই মাসুদুর রহমানকে প্রার্থী করেছে জামায়াত। বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক (রুবেল)। এ ছাড়া নির্বাচনে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থী মিজানুর রহমান কাঁচি প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।
নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, কোনো ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা ছাড়াই দুটি আসনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। সকালের দিকে ভোটারদের উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে দেখা যায়।
সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে দুই জেলাতেই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পুলিশ, র্যাব ও বিজিবির পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স নির্বাচনী এলাকায় মোতায়েন ছিল। কেন্দ্রের নিরাপত্তায় দায়িত্বরত ছিল আনসার সদস্যরাও।
প্রসঙ্গত, শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে চলমান নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে ভোটগ্রহণ চলাকালে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

