বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এই অধিকার ও গণতন্ত্রকে নষ্ট করার যে কোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় বিএনপি প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কিশোরগঞ্জে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের অপতৎপরতা ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের এ কর্মসূচি নতুন কিছু নয়। আমরা রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছি। বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছি। মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে এনেছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র ধ্বংস ও ভোটের অধিকার লুণ্ঠিত করার ষড়যন্ত্র চলছে। তারা পালিয়ে গিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। আমরা এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে তাদের ফ্যাসিবাদ ভেঙে দিয়েছি। তাদের কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেয়া হবে না।
বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পরিবার সারা বাংলাদেশে ঐক্যবদ্ধ আছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণতন্ত্র, ভোটের অধিকার ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখা হবে।
তিনি আরও বলেন, তারা মনে করছে, দুটি বাস পুড়িয়ে আর একটি চক্কর দিয়ে জনগণকে ভয় দেখাতে পারবে। তাদের সতর্ক করে দিতে চাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সৈনিকেরা জনগণকে নিয়ে যেভাবে তাদের দেশ থেকে তাড়িয়েছে, প্রয়োজনে যারা এখনও আছে, তাদেরও দেশ থেকে তাড়িয়ে দেয়া হবে। তাদের কোনোভাবেই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে দেয়া হবে না।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাই না। বুকের পাটা থাকলে এখন আসেন। আমাদের মা-বোনদের বুক খালি করেছেন। আসেন, আইনের আওতায় আসেন। জনগণ এই বিচার করবে। সেই বিচারের জন্য ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাই না। এ মুহূর্তেই আপনারা আইনের আওতায় আসবেন।
বিক্ষোভ মিছিলটি দুপুরে জেলা শহরের রথখলাস্থ বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়। পরে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আখড়াবাজার চত্বরে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।
এতে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

