একাডেমিক সাফল্য, সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অবদানের স্বীকৃতি দিতে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগ আয়োজন করেছে ‘ফলাবর্তন’ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে ১৯টি ক্যাটাগরিতে বিভাগের ৭১ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সনদ ও সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসের অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেমিস্টারজুড়ে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ফলাফল, ক্লাস পারফরম্যান্স, দক্ষতা, সৃজনশীল কাজ ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে তাদের নির্বাচিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের। শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে এমন আয়োজনের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতেও যেন এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।”
কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী আব্দুল মান্নান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি এ ধরনের সুসংগঠিত আয়োজনের প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সামিয়া আসাদী। বিভাগের শিক্ষক ফারিয়া জাহান বলেন, “‘ফলাবর্তন’ কেবল পুরস্কার প্রদানের আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি শিক্ষার্থীদের মেধা ও সুপ্ত সম্ভাবনাকে মূল্যায়নের একটি প্রয়াস। এ ধরনের স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করবে।”
সম্মাননা পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন সাংবাদিকতা বিভাগের ৮৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী অনন্যা হালদার। তিনি বলেন, “এই আয়োজনের সবচেয়ে সুন্দর বিষয় হলো, এখানে শুধু ফলাফলের ওপর নির্ভর না করে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সৃজনশীল প্রতিভা ও অ্যাসাইনমেন্টকেও মূল্যায়ন করা হয়েছে।”
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আব্দুল মতিনসহ সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকেরা জানান, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই ‘ফলাবর্তন’ আয়োজন করা হয়েছে। বিভাগের শিক্ষার্থীদের বহুমাত্রিক প্রতিভার স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে তাদের আরও সক্রিয় ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করাও এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

