সম্প্রতি জাতীয় দৈনিকে ‘হামের পরে নিউমোনিয়া, আইসিইউতে লড়ছে ২ যমজ শিশু’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে আসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। গুরুতর অসুস্থ দুই বছর বয়সী সেই যমজ শিশু হাসান ও হোসেনের চিকিৎসা এবং সার্বিক সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী।
বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় ঢাকার মুগদা জেনারেল হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আ ন ম মনোয়ারুল কাদির বিটুর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল অসুস্থ শিশুদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরিবারটির হাতে আর্থিক সহায়তা ও পুষ্টিকর ফলমূল তুলে দেওয়া হয়। ডা. বিটু দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং হাসান-হোসেনসহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্যান্য শিশুদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
চিকিৎসকরা জানান, হাসান-হোসেনের শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। তাদের আইসিইউ থেকে জেনারেল ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে শিশুরা এখনো পুষ্টিহীনতায় ভুগছে এবং চিকিৎসকদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. মেজবাহুর রহমান, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মো. শাখাওয়াত হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক (শিশু) ডা. শামীম ইবনে হালিম, ডা. মো. জহিরুল ইসলাম জহির, ডা. হাসিবুল হাসান, ডা. মো. হাফিজুর রহমানসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। হাসান-হোসেনের বাবা একজন রাজমিস্ত্রী। তাদের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামে।

