Close Menu
বিজয় টিভিবিজয় টিভি
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Monday, 6 July 2026, 09:10: pm
    বিজয় টিভিবিজয় টিভি
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    লাইভ টিভি BijoyTV FTP
    • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • অপরাধ
    • অর্থনীতি
    • আন্তর্জাতিক
    • দেশজুড়ে
      • ঢাকা
      • চট্টগ্রাম
      • খুলনা
      • বরিশাল
      • রাজশাহী
      • রংপুর
      • ময়মনসিংহ
      • সিলেট
    • বিনোদন
    • লাইফ স্টাইল
    • শিক্ষা
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • খেলাধুলা
    • স্বাস্থ্য
    • অন্যান্য
    বিজয় টিভিবিজয় টিভি
    হোম » রাজনীতি » এককভাবে সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান
    রাজনীতি

    এককভাবে সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান

    বিজয় টিভি নিউজ ডেস্কবিজয় টিভি নিউজ ডেস্কFebruary 11, 2026
    শেয়ার করুন Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email WhatsApp Copy Link
    আমাদের অনুসরণ করুন
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    এককভাবে সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের পর তারা এককভাবে সরকার গঠনে সক্ষম হবেন বলে আশা করছেন। ডয়চে ভেলেকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    সাক্ষাৎকারে তিনি নারীর ক্ষমতায়ন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক এবং গুম-খুনের বিচার নিয়েও কথা বলেছেন।

    ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে মায়ের মৃত্যু এবং নির্বাচনি প্রস্তুতি – দুটোর সামঞ্জস্য রাখাই তার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল বলে জানান তারেক রহমান।

    প্রশ্ন: ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট। তো এই নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু হবে বলে আপনি আশাবাদী?

    তারেক রহমান : আমরা আশা করছি যে নির্বাচনটা সুষ্ঠু হবে। মানুষেরও তাই প্রত্যাশা। আমরা আশাবাদী।

    প্রশ্ন: ১৭ বছর পর আপনি বাংলাদেশে এসেছেন। আপনি নির্বাসনে ছিলেন নানা কারণে। এই ১৭ বছর পর আসার পরে আপনার দল গোছানো নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনার কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কোনটা ছিল?

    তারেক রহমান : চ্যালেঞ্জটা হয়ত কিছুটা খুব সম্ভবত আমারই ছিল। এত বছর পরে এসেছি, আসার পরে মানুষের চোখেমুখে একটা প্রত্যাশা দেখেছি। এটা হলো রাজনৈতিক দিক, অন্যদিকে আসার পাঁচ দিন পরেই আম্মা মারা গেলেন। উনি অসুস্থ ছিলেন অনেকদিন ধরে। স্বাভাবিকভাবে এটাও একটা খুব কষ্টকর বিষয় আমাদের সবার জন্য। আমরা পরিবার যে একসাথে বসে নিজেদের কষ্টটা ভাগ করে নেব, সেই সুযোগটা বা সময়টা হয়নি। কারণ আমরা একদম নির্বাচনের ডামাডোলের ভেতরে। একদিকে নির্বাচনী ডামাডোল, অন্যদিকে ব্যক্তিগত বিষয়টা – দুটোর সামঞ্জস্য রেখে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, এটাই আসলে আমার কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি যে, হয়ত এই চ্যালেঞ্জটা মোটামুটিভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি আমি।

    প্রশ্ন: এবার তো অনেক ভোটার যারা হচ্ছেন তরুণ এবং প্রথমবারের মতো ভোট দিতে যাচ্ছেন। গত তিনটি নির্বাচন বিতর্কিত নির্বাচন আপনি জানেন। ফলে মানুষের মধ্যে একটা বাড়তি আগ্রহ রয়েছে। তরুণদেরকে আগ্রহী করতে বা তরুণদের কাছে পৌঁছাতে, আপনার দলের পক্ষ থেকে কি আলাদা করে বা বিশেষ করে কোনো কিছু করা হয়েছে যেটাতে তরুণরা একটু আকৃষ্ট হতে পারে?

    তারেক রহমান : দেখুন আপনি যদি আমাদের মেনিফেস্টোটা দেখে থাকেন, যেটা আমরা কয়েকদিন আগে জাতির সামনে উপস্থাপন করেছি, সেখানে কিন্তু আমরা সমাজের তরুণদের জন্য, একইভাবে এখানে বয়স্ক যারা আছেন তাদের জন্য, একইসঙ্গে যারা দেশে চল্লিশ লাখ প্রতিবন্ধী আছেন তাদের জন্য, একইসঙ্গে বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর অর্ধেক যে নারী, তাদের ক্ষমতায়নের জন্য আমরা পরিকল্পনা রেখেছি। কর্মসূচি রেখেছি, বিশেষ করে শুধু তরুণদের জন্য না, সকলের জন্য। কারণ দেশটা গঠন করতে হবে সকলকে নিয়ে।

    প্রশ্ন: জুলাই গণ অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে এবং তারপর থেকে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্কের ক্রমশ অবনতি হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন। এই যে সম্পর্ক এবং অতীতে দেখা গেছে যে গত এক দশকে অনেকে মনে করেন যে ভারতের সঙ্গে বিএনপির একটা দূরত্ব রয়ে গেছে এবং সেই দূরত্বটা ঘোচানো যায়নি। ভবিষ্যতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনার অবস্থান কী হবে?

    তারেক রহমান : দেখুন, আপনি যেটা বললেন যে দেখা গিয়েছে যে বিএনপির সাথে তাদের একটা দূরত্ব আছে। অবশ্যই আমরা যদি দেখি যে এমন কোনো চুক্তি হচ্ছে যেটা বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থের পরিপন্থি, বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থি, সেটা যে কোনো দেশের সাথেই হোক না কেন তাদের সাথে স্বাভাবিকভাবেই দূরত্ব হবে। কারণ আমি তো প্রতিনিধিত্ব করি আমার দেশের মানুষকে। কাজেই যে কোনো দুই দেশের মধ্যে যদি কোনো চুক্তি হয়, যেটা আমার দেশের স্বার্থের সাথে যাবে না, সেক্ষেত্রে যে কারো সাথেই আমাদের এরকম দূরত্ব হতে পারে।

    প্রশ্ন: ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, দেখা যাচ্ছে যে চীনের একটা বাড়তি আগ্রহ আছে বাংলাদেশ নিয়ে। আপনাদের কি চীনের জন্য কি আলাদা কোনো নীতি বা কোনো পদক্ষেপ আছে?

    তারেক রহমান : বর্তমান বিশ্বে যদি আমরা চিন্তা করি আমাদের সাথে বিভিন্ন দেশের সম্পর্ক থাকবে, আমরা একা বসবাস করতে পারব না। গ্লোবাল ভিলেজ বলা হয় এখন পৃথিবীকে। কাজেই আমাদের দেশের মানুষ বিভিন্ন দেশের সাথে ব্যবসা বাণিজ্য করবে। আমাদের দেশের মানুষ বিভিন্ন দেশে যাবে চাকরিবাকরি বিভিন্ন কারণে। কাজেই আমার দেশের স্বার্থ যেখানে বজায় থাকবে, দেশের মানুষের স্বার্থ যেখানে বজায় থাকবে, আমাদের সাথে তাদের সম্পর্ক ভালো হবে।

    প্রশ্ন: একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে আপনি কয়েকদিন আগেই বলেছেন যে, বিএনপি কোনোরকম ঐক্যের সরকার বা জাতীয় সরকার গঠনের পরিকল্পনা নেই জামায়াতের সঙ্গে। কিন্তু জামায়াত বলছে যে, তারা যদি সুযোগ পায় তারা বিএনপির সঙ্গে এখনো ঐক্যের সরকার করতে রাজি এবং তারা আমন্ত্রণ জানাবে। সেক্ষেত্রে কি আপনি সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করবেন?

    তারেক রহমান : আমরা কনফিডেন্ট যে, ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশের মানুষের রায় আমরা পাব। আমরা সরকার গঠনে সক্ষম হবো – এককভাবে। সেক্ষেত্রে তো কাউকে অপজিশনে থাকতে হবে। কারণ একটা ব্যালেন্সড রাষ্ট্র যদি হতে হয়, ব্যালেন্সড সরকার যদি হতে হয় তাদের সেক্ষেত্রে অপজিশনে থাকতে হবে কাউকে। সবাই সরকারে চলে এলে কেমন করে দেশ চলবে?

    প্রশ্ন: বাংলাদেশে প্রায় ১৩ কোটি ভোটার এবং তার অর্ধেকের মতোই নারী। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি যে রাজনৈতিক দলগুলো যে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছেন তার মধ্যে নারীর সংখ্যা খুবই কম এবং এটা নিয়ে একটা আলোচনা হচ্ছে দেশে-বিদেশে যে নারীকে কেন এতটা কম সুযোগ দেওয়া হচ্ছে ভোটের রাজনীতিতে? কারণ যে জুলাই বিপ্লবের কথা বলা হয়, গণঅভ্যুত্থানের কথা বলা হয়, সেখানেও তারা বিশেষভাবে অবদান রেখেছেন। বিষয়টা কীভাবে দেখছেন?

    তারেক রহমান : বিষয়টাকে আমি অন্যভাবে দেখি। বেগম খালেদা জিয়া যখন এর আগে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তখন উনি একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছিলেন এবং সেটা হচ্ছে মেয়েদের শিক্ষা ব্যবস্থা। ক্লাস ওয়ান থেকে টুয়েলভ পর্যন্ত উনি ফ্রি করে দিয়েছিলেন। এটি হচ্ছে নারী সমাজকে এমপাওয়ার করার প্রথম একটি পদক্ষেপ। অর্থাৎ আপনি একজনের শিক্ষার সুযোগ তৈরি করলেন। আমরা সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে নারীদের এই শিক্ষার সুযোগটা আরও হায়ার ক্লাস পর্যন্ত আমরা নিয়ে যাব। এটা হলো এক নম্বর। দ্বিতীয়ত, আপনি নিশ্চয়ই শুনেছেন বা জানেন, আমরা দেশের প্রত্যেক হাউসওয়াইফ এর জন্য, বিশেষ করে শুরু করব প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর থেকে, আমরা একটি ফ্যামিলি কার্ড দিতে চাই, যার মাধ্যমে আমরা তাকে একটি রাষ্ট্র বা সরকার থেকে একটা সহযোগিতা দেব। এই ফ্যামিলি কার্ডটা যখন পাবে সে মানসিকভাবে সে এমপাওয়ার্ড ফিল করবে। এবং সহযোগিতা যখন বজায় থাকবে আস্তে আস্তে অর্থনৈতিকভাবে সে স্বাবলম্বী হবে। একদিকে আমরা চেষ্টা করছি নারীদেরকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে। একইসাথে আমরা তাদেরকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলছি। আমরা শুধু কথার কথা বলে কিছু নমিনেশন বা কিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কিছু নারীকে দিয়ে দিলাম না। কিন্তু আপনি যদি সত্যিই নারীদের ক্ষমতায়নের কথা বলেন, তা এভাবে আনতে হবে। তাদেরকে শিক্ষা এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে হবে। আমরা চাইছি শিক্ষার পাশাপাশি নারীকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে। তাহলে সে তার নিজ যোগ্যতাতেই যে কোনো পর্যায়ের নির্বাচন হোক – স্থানীয় হোক বা জাতীয় নির্বাচন, সে তার নিজ যোগ্যতাবলে নমিনেশন আদায় করেই নিতে সক্ষম হবে। বিষয়টিকে আমরা লংটার্মে নিয়ে যেতে চাইছি। ধীরে ধীরে স্থায়ীভাবে জিনিসটাকে গড়ে তুলতে চাইছি আমরা।

    প্রশ্ন: আমরা যখন কথা বলি নারী ভোটারদের সঙ্গে, তাদের কারও কারো মধ্যে এক ধরনের ভয় বা উৎকণ্ঠাও কাজ করছে যে, ১২ তারিখের পরে কী হবে, তারা কতটা নিরাপদ থাকতে পারবেন বা তাদের উপরে কোনো ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ হবে কি না, তাদের জীবন সংকুচিত করার কোনো রকম পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না। এরকম এক ধরনের ভয়, এক ধরনের উৎকণ্ঠা কাজ করছে। তাদের উদ্দেশ্যে আপনার কি কোনো বার্তা আছে?

    তারেক রহমান : আপনি যেই বিষয়গুলো বললেন, এটি অবশ্যই আমাদের পক্ষ থেকে নয়। এটি বাংলাদেশে কিছু কিছু অন্য রাজনৈতিক দল আছে, যাদের বিভিন্ন কথাবার্তা বা সোশ্যাল মিডিয়াতে তাদের বিভিন্ন স্টেটমেন্টের মাধ্যমে এই ধারণাগুলো জন্ম নিয়েছে মানুষের মাঝে বা নারীদের মাঝে। আমরা সবসময়ই নারীদের এম্পাওয়ারমেন্ট এর কথা বলেছি। কারণ আমরা যত যাই পরিকল্পনাই করি না কেন, যখন দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী হয়ে থাকেন, তাদেরকে আলাদা রেখে আমরা দেশকে সামনে নিতে পারব না। আমাদের সকলকে নিয়েই নিতে হবে। সেজন্যই আমরা তাদের শিক্ষার আরও এমন ব্যবস্থা করতে চেয়েছি যাতে তারা আরও উচ্চশিক্ষা লাভ করতে পারে সহজে। আমরা এমন ব্যবস্থা করতে চাইছি যাতে তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে। অর্থাৎ তাদের কনফিডেন্স আমরা আরও স্ট্রং করতে চাইছি। তাদের আত্মবিশ্বাসটা আমরা দৃঢ় করতে চাইছি। শুধু তাই নয়, আমরা এরই মধ্যে বলেছি যে, আমরা দেশে সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে আমরা দেশে এমন শিল্পও নিয়ে আসতে চাই যেখানে নারীরা তাদের কর্মসংস্থানে বেশি হবে। কর্মসংস্থানে নারীরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারেন, সেই জন্য কেয়ার সেন্টারসহ অন্যান্য বিষয়গুলো আমরা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব আমাদের পরিকল্পনার মধ্যে। আমরা এটাও বলেছি যে, নারীরা যাতে নিরাপদে যাতায়াত করতে পারেন, ঢাকা শহরসহ বড় শহরগুলোতে আমরা নারীদের জন্য ইলেকট্রিক বাস ইন্ট্রোডিউস করব, যেটা শুধু নারীরাই ব্যবহার করবেন এবং সেই বাস পরিচালনাও করবেন নারীরা। কাজেই আমাদের দলীয় অবস্থান থেকে আমরা পরিকল্পনা রেখেছি, যেগুলো আমরা ইনশাআল্লাহ বাস্তবায়ন করব সুযোগ পেলে যাতে করে নারীরা তাদের জন্য যত বেশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

    প্রশ্ন: গণঅভ্যুত্থানের পর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না এবং কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ এরকম মত দিচ্ছেন যে, আওয়ামী লীগ অংশ না নেওয়ায় এই নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হচ্ছে না। এই বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখছেন?

    তারেক রহমান : দেখুন এটা তো পুরো রাজনীতি। আমরা রাজনীতি করি মানুষের জন্য, মানুষের সমর্থন নিয়ে। কাজেই আমি মনে করি, রাজনীতিতে মানুষ যাকে গ্রহণ করবে তাকে কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। আর যাকে মানুষ গ্রহণ করবে না, যত শক্তিই থাকুক না কেন, শক্তি প্রয়োগ করে সে ধরে রাখতে পারে না, ৫ই আগস্ট যার উদাহরণ।

    প্রশ্ন: দুর্নীতি দমনের যে উদ্যোগের কথা আপনি বলছেন এবং আপনার ম্যানিফেস্টোতে সেটা রয়েছে, ইশতেহারে রয়েছে। কিন্তু টিআইবি ও একাধিক সংগঠন নানারকম পরিসংখ্যান দিচ্ছে এবং তাতে দেখা যাচ্ছে যে বিএনপির বেশ কয়েকজন প্রার্থী ঋণখেলাপি। তারা আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে তারপরে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন এবং অনেকে আছেন যারা ঋণগ্রস্ত। এই বিষয়ে আপনার মতামত কী?

    তারেক রহমান : দেখুন, দুর্নীতি এবং ঋণগ্রস্ত বা ব্যাংক ডিফল্ট দুটো ভিন্ন জিনিস। আমাদের দলের লাখো নেতাকর্মীর নামে বিগত স্বৈরাচার সরকার কেস দিয়েছিল। আমাদের দলের মধ্যে যারা আছেন, যারা আমাদের দলীয় রাজনীতির সাথে আছে, যারা ব্যবসা বাণিজ্য করে তাদেরকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়েছে। তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে তাদেরকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য চলতে দেওয়া হয়নি। তাদেরকে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। তাদের ন্যায্য ব্যাংক লোন যেটা আছে সেটা তাদেরকে দেওয়া হয়নি। কাজেই এরকম একটি অবস্থার মধ্যে আমাদের লোকজন, আমাদের ব্যবসায়ীরা, আমাদের নেতাকর্মীরা যারা ব্যবসা-বাণিজ্য করতেন, তাদের জন্য তো এরকম ডিফল্ট হওয়াটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। দুর্নীতি ও ডিফল্ট হয়ে যাওয়ার মধ্যে সম্পর্ক তো নেই। দুটো একদম ভিন্ন জিনিস।

    প্রশ্ন: সম্পূর্ণভাবে গণঅভ্যুত্থানের কথা আপনি যেটা বলছেন যে, বিএনপির অনেক নেতাকর্মী হতাহত হয়েছেন বলে আপনার দল থেকে জানানো হয়েছে। গত ১৫-১৬ বছরে গুম খুনের শিকার হয়েছেন অনেকে। যারা ভুক্তভোগী, তাদের পরিবারকে বা তাদের বিচার নিশ্চিত করার জন্য আপনার কোনো পরিকল্পনা আছে কি?

    তারেক রহমান : অবশ্যই আমাদের পরিকল্পনা আছে, কারণ আমাদের নেতাকর্মীরা যেরকম গুম খুনের শিকার হয়েছে, অন্যান্য গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল যারা আমাদের সাথে আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তারা গুম খুনের শিকার হয়েছে। হয়ত সংখ্যা কম-বেশি হবে। এমনকি অনেক মানুষ আছেন যারা রাজনীতির সাথে জড়িত না। কিন্তু তারা অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হয়েছে, গুম খুনের শিকার হয়েছে। এটি একটি অন্যায় ব্যাপার। একটি সভ্য দেশে মানুষ গুম হয়ে যাবে, দেশের মানুষ খুন হয়ে যাবে, কিন্তু তার কোনো বিচার হবে না, এটা তো হতে পারে না। কাজেই দেশের আইন অনুযায়ী অবশ্যই প্রত্যেকটা মানুষ কারো সাথে যদি অন্যায় হয়ে থাকে তার বিচার পাওয়ার অধিকার আছে।

    এককভাবে সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান
    পূর্ববর্তী খবরএবারের নির্বাচন একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক: প্রধান উপদেষ্টা
    পরবর্তী খবর সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন সিইসি

    আরো সংবাদ পড়ুন

    আগামীর বাংলাদেশ গড়তে শিশুদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জুবাইদা রহমানের

    শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির হার কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে: ববি হাজ্জাজ

    মেক্সিকোকে কাঁদিয়ে ১০ জনের ইংল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনালে

    জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসে স্মারক ডাক টিকিট উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    ভেবেছিলাম মানুষ খামেনিকে ঘৃণা করে: ট্রাম্প

    সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি

    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত

    জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

    July 6, 2026

    শ্রীলঙ্কার কারাগারে দাঙ্গা: নিহত ২৫, আহত অন্তত ১০০

    July 6, 2026

    এলডিসি উত্তরণে তিন বছর সময়কে কাজে লাগাতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

    July 6, 2026

    সমগ্র বাংলাদেশকে ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনতে হবে: অর্থমন্ত্রী

    July 6, 2026

    ইসরায়েল ধ্বংসের চেষ্টা করলে খামেনির মতো একই পরিণতি হবে ইরানি নেতাদের: কাৎজ

    July 6, 2026

    আগামীর বাংলাদেশ গড়তে শিশুদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জুবাইদা রহমানের

    July 6, 2026

    চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে ঈদুল আজহা

    June 6, 2025

    ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে: আসিফ মাহমুদ

    June 6, 2025

    গাইবান্ধায় সেনাবাহিনীর অভিযানে ১৫ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন উদ্ধার

    June 6, 2025

    মেসির প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে জয় পেল আর্জেন্টিনা

    June 6, 2025

    কালুরঘাট সেতুতে দুর্ঘটনা : বরখাস্ত ৪ রেলকর্মী, তদন্ত কমিটি গঠন

    June 6, 2025

    ঈদের আগে রিজার্ভ ছাড়াল ২৬ বিলিয়ন ডলার

    June 6, 2025
    আর্কাইভ ক্যালেন্ডার
    Loading...
    «জুলাই ২০২৬»
    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     ১২৩
    ৪৫৬৭৮৯১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
    « জুনআগষ্ট »
    সোশ্যাল ফলো এবং কাউন্টার
    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    BijoyTV Logo Footer
    • রাহাত টাওয়ার (৮ম তলা)
      ১৪ লিংক রোড, বাংলামটর, ঢাকা-১০০০
    • ফোন: +৮৮-০২-৯৬১৩৬১৫
    • ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৯৬৬৪৯৮৪
    • লাইভ টিভি
    • আমাদের সম্পর্কে
    • যোগাযোগ
    • ডাউনলিংক প্যারামিটার
    • Bijoy TV FTP
    • FacebookLikes Like our page
    • TwitterFollowers Follow Us
    • 1.8MSubscribers Subscribe
    • InstagramFollowers Follow Us
    © সর্বসত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ বিজয় টিভি || All Rights Reserved.

    Developed with ❤️ BijoyTV IT Team.

    © সর্বসত্ব সংরক্ষিত ২০২৬ বিজয় টিভি || All Rights Reserved.

    Design & Developed by ❤️ BijoyTV.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.