রাশিয়ার তাতারস্তানে ইউক্রেনের এক ড্রোন হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে এটি রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডে অন্যতম বড় প্রাণহানির ঘটনা। ইউক্রেন সীমান্ত থেকে ১ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থিত শিল্পনগরী নিজনেকামস্কের একটি তেল শোধনাগারে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে কিয়েভ। খবর রয়টার্সের।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, চলতি বছর দুই পক্ষই দূরপাল্লার হামলার মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। এর ফলে বেসামরিক নাগরিক মৃত্যুর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) আঞ্চলিক প্রেস সার্ভিসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নিজনেকামস্কে হামলায় এখন পর্যন্ত ১৩ জন নিহত হয়েছেন।’ কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, হামলায় অন্তত ৭৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২১ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রাশিয়ার তাতারস্তান অঞ্চলটি জ্বালানি সম্পদে সমৃদ্ধ। এখানে বেশ কয়েকটি বড় তেল শোধনাগার রয়েছে। আর রাশিয়ার তেল শোধনাগারসহ জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে নিয়মিত লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে ইউক্রেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে, নিজনেকামস্কের একটি জ্বালানি স্থাপনা থেকে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে উঠছে। তবে ধারণকৃত ছবি বা ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ জানায়, ‘রুশ আক্রমণকারীদের সামরিক সক্ষমতা হ্রাস করতে’ রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি ‘তাতনেফ্ট’ পরিচালিত ‘তানেকো’ শোধনাগারে এই হামলা চালিয়েছে তারা। তাতারস্তানের আঞ্চলিক সরকারের বরাতে জানা গেছে, হামলায় নিহতদের মধ্যে তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তানের নাগরিকও রয়েছেন।

