ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান পাল্টাপাল্টি সামরিক সংঘাতের মধ্যেই উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে পাওয়া প্রস্তাবগুলো খতিয়ে দেখছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মধ্যস্থতাকারীদের পাঠানো প্রস্তাবগুলো বর্তমানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে কৌশলগত কারণে এখনই এসব প্রস্তাবের বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে না।
তিনি বলেন, মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যেমন দৃঢ় জবাব দিচ্ছে, তেমনি কূটনৈতিক বিভাগও আলোচনার পথ খোলা রাখতে তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। ইসমাইল বাঘাই আরও জানান, ওমানের সঙ্গে যৌথ সহযোগিতার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীতে যেকোনো নিরাপত্তা হুমকি প্রতিরোধে ইরান দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
একই সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন নাগরিক মুক্তির বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি নাকচ করে দেন ইরানের এই মুখপাত্র। গত সপ্তাহে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে অন্যায়ভাবে আটক এক মার্কিন নারীকে তেহরান মুক্তি দিয়েছে। ট্রাম্পের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে বাঘাই বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আদৌ কোনো বন্দি ছিলেন না এবং তার বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির কোনো অভিযোগও ছিল না।
তিনি আরও জানান, গত মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হলেও, গত সপ্তাহে হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে উভয় দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আবারও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

