কুনিয়ার জোড়া গোল ও ভিনিসিয়ুসের গোলে ৩–০ ব্যবধানে এগিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করেছে কার্লো আনচেলত্তির দল।
এর আগে মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে আশানুরূপ খেলতে না পারায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়া ইবানেস ও ইগর থিয়াগোকে বেঞ্চে বসিয়ে অভিজ্ঞ দানিলোঁ ও কুনিয়াকে একাদশে এনেছিলেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। ইতালিয়ান কোচের সেই ট্যাকটিক্যাল চাল প্রথমার্ধেই শতভাগ সফল প্রমাণিত হয়েছে।
ম্যাচের ২৩ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের আক্রমণ থেকে তৈরি হওয়া জটলা থেকে কুনিয়ার প্রথম গোলের পর, ৩৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ব্রাজিল। মাঝমাঠে ক্যাসেমিরোর একটি দুর্দান্ত ইন্টারসেপশন থেকে শুরু হওয়া কাউন্টার অ্যাটাক থেকে বল ধরে গতি বাড়ান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। হাইতির রক্ষণ ভেঙে বক্সে থাকা কুনিয়াকে তিনি পাস বাড়ান। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই ফরোয়ার্ড কিছুটা ভারসাম্যহীন অবস্থাতেই বাঁ পায়ের দর্শনীয় শটে বল জালে জড়িয়ে দেন। গোল নিশ্চিত হওয়ার পর মাঠের কোণায় গিয়ে নিজের চেনা ‘সার্ফিং উদযাপন’ প্রদর্শন করেন কুনিয়া।
তবে এর কিছুক্ষণ পরই ৩৯ মিনিটে কিছুটা ধাক্কা খায় ব্রাজিল, যখন চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে হয় বার্সেলোনা উইঙ্গার রাফিনিয়াকে। তাঁর জায়গায় বদলি হিসেবে মাঠে নামেন বোর্নমাউথের তরুণ ফরোয়ার্ড রায়ান।
রাফিনিয়ার বিদায়ের ধাক্কা সামলে নিয়ে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে হাইতির রক্ষণভাগকে স্তব্ধ করে দেন ভিনিসিয়ুস। মাঝমাঠেবল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে লং বল বাড়ান লুকাস পাকেতা। হাইতির অফসাইড ট্র্যাপ ভেঙে ভিনিসিয়ুস অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় বল নিয়ন্ত্রণে নেন এবং কোনো রকম ভুল না করে বল জালে জড়ান। এই নান্দনিক গোলের সুবাদে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ব্রাজিল।

