২০২৩ সালের অক্টোবরে ব্রাজিলের জার্সিতে শেষবার খেলেছিলেন নেইমার জুনিয়র। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচটিতে চোট পেয়ে সেইযে ছিটকে গেলেন, এরপর এক বছরের বেশি সময় মাঠের বাইরে থাকার পর ক্লাবের জার্সিতে ফিরলেও জাতীয় দলে আর ফেরা হয়নি নেইমারের। এরপর থেকে ক্লাবে খেললেও বেশিরভাগ সময় চোটে বা পুনর্বাসনেই থেকেছেন তিনি।
এদিকে বর্তমানে রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে ড্রেসিংরুম সামলানোর দায়িত্ব দিয়েছে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন-সিবিএফ। ৬৬ বছর বয়সী এ ইতালিয়ান কোচের অধীনে এরই মধ্যে ৬টি ম্যাচ খেলেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। তবে ওই ৬ ম্যাচের কোনোটিতেই ডাক পাননি নেইমার।
শুধু তাই নয়, আগামী ১৫ নভেম্বর সেনেগালের বিপক্ষে প্রীতিম্যাচ খেলার চারদিন পর তিউনিশিয়ার সঙ্গে আরেকটি ম্যাচ খেলবে সেলেসাওরা। এ দুটি প্রীতি ম্যাচের জন্য সোমবার আনচেলত্তি দল ঘোষণা করলেও জায়গা দেননি নেইমারকে।
অবশ্য নেইমারকে যে আর জাতীয় দলে ডাকা হবে না, এমন ইঙ্গিত কিন্তু এর আগে কখনো দেননি আনচেলত্তি। বরং জানিয়েছেন, ফিট থাকলে ২০২৬ বিশ্বকাপের দলে নেইমারের জায়গা অনেকটাই নিশ্চিত।
সম্প্রতি চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরেছেন নেইমার। ব্রাজিলের ঘরোয়া লিগ সেরি আ-তে ফোরতালেজার বিপক্ষে সান্তোসের ম্যাচে বদলি হিসেবে নামা ব্রাজিল তারকাকে দেখে আগের চেয়ে অনেক বেশি ফিট ও ফুরফুরে মনে হয়েছে। এদিন ম্যাচের ৬৭ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামার পর গোল না পেলেও বেশ ঝলক দেখিয়েছেন নেইমার।
এরপরও নেইমারকে ডাকা তো দূরের কথা, সেলেসাওদের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার সঙ্গে নাকি কথাই হয়নি আনচেলত্তির। দল ঘোষণার পর সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানান ব্রাজিল কোচ। বলেন, নেইমারের সঙ্গে এখনো কথা হয়নি। পুরোপুরি সেরে উঠে ও কবে খেলতে পারে, সেটি দেখি আগে।
এদিকে, আনচেলত্তির এমন কথায় মোটেও খুশি হননি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা নেইমার ভক্তরা। যেকোনো মূল্যে তারা প্রিয় তারকাকে এখন মাঠে দেখতে চান।

