৭৯ মিনিটে ফরোয়ার্ড কাইল লারিনের গোলে বসনিয়ার বিপক্ষে ১–১ গোলে সমতায় ফিরেছে কানাডা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে কানাডা। বলের দখল ও আক্রমণের সংখ্যায় এগিয়ে থাকলেও গোলের দেখা পায়নি স্বাগতিকরা। বরং ২১ মিনিটে কর্নার থেকে জোভো লুকিচের গোলে এগিয়ে যায় বসনিয়া।
বসনিয়ার হয়ে কর্নার কিক নেন মেমিচ। বক্সের ভেতরে সেয়াদ কোলাসিনাচ চতুরতার সঙ্গে হেড করে বল বাড়িয়ে দেন লুকিচের দিকে। গোললাইন ঘেঁষে থাকা লুকিচ সহজ হেডে বল জালে পাঠালে উল্লাসে ফেটে পড়ে বসনিয়া সমর্থকরা।
গোল হজমের আগে-পরে কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করেছিল কানাডা। ১৭ মিনিটে ইসমাইল কোনের দারুণ থ্রু বল থেকে টাই অলুওয়াসেইয়ের নিচু ক্রস বিপদ তৈরি করলেও কাজে লাগাতে পারেননি সতীর্থরা। পরে জনাথন ডেভিডের শট সরাসরি গোলরক্ষক ভাসিলজের হাতে চলে যায়।
৩৩ মিনিটে সমতায় ফেরার সেরা সুযোগ নষ্ট করেন অলুওয়াসেই। ডান প্রান্তে বল কাড়ার পর বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের হাফ-ভলিতে শট নিলেও বল উড়িয়ে মারেন ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে।
প্রথমার্ধে একের পর এক কর্নার পেলেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি কানাডা। স্টিফেন ইউস্তাকিওর কর্নারগুলো বেশিরভাগ সময়ই সহজে সামলে নেয় বসনিয়ার রক্ষণভাগ।
অন্যদিকে কাউন্টার অ্যাটাক ও সেট-পিসে বেশ কার্যকর ছিল বসনিয়া। ১৩ মিনিটে লুকিচের একটি হেড সরাসরি গোলরক্ষক ম্যাক্সিম ক্রেপোর হাতে গেলেও পরের সুযোগেই সফল হন তিনি।
ম্যাচে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন কানাডার ডিফেন্ডার আলিস্টার জনস্টন। ১১ মিনিটে মেমিচকে বিপজ্জনক আক্রমণ থেকে থামাতে ফাউল করে সতর্কবার্তা পান তিনি।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরও দুটি হলুদ কার্ড দেখান আর্জেন্টাইন রেফারি ফাকুন্দো ফিগুয়েরোয়া। ৪৫ মিনিটে বসনিয়ার ফরোয়ার্ড এরমেদিন ডেমিরোভিচ এবং যোগ করা সময়ে গোলদাতা জোভো লুকিচ হলুদ কার্ড দেখেন।
পরিসংখ্যানেও ম্যাচটি ছিল বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। প্রথমার্ধে কানাডা ৮টি শট নিলেও লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে মাত্র ১টি। তাদের এক্সপেক্টেড গোল ছিল ০.৬৬। অন্যদিকে বসনিয়ার ছিল ০.৭৭।
অপ্টার লাইভ জয়ের সম্ভাবনা অনুযায়ী বিরতিতে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার জয়ের সম্ভাবনা ৫১.২ শতাংশ, যেখানে কানাডার সম্ভাবনা মাত্র ১৯.২ শতাংশ।
স্বাগতিকদের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানো। না হলে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই হতাশা সঙ্গী হতে পারে কানাডার।

