২০২৭-২৭ অর্থবছরে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬৩ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। রোববার (২৬ জুলাই) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণসংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ৬৩ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে পণ্য রপ্তানি থেকে ৫৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা খাত থেকে ৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সাউথ কোরিয়া ও ইউএই-এর সঙ্গে এফটিএ সম্পন্ন হবে। এ ছাড়া ডিসেম্বরে মধ্যে আরও ৪-৫টি দেশের মুক্ত বাণিজ্য আলোচনা নিষ্পত্তি হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছি। দু’পক্ষের আলোচক নির্ধারিত হয়ে গেছে। সব মিলিয়ে আগামী দিনে রপ্তানির ঊর্ধ্বগতি দেখা যাবে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক পরিস্থিতির এই মুহূর্তে কোনো পরিবর্তন ঘটেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগের ১০ শতাংশ শুল্ক ছিল, সেটির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়ার পরে নতুন নামে ১০ শতাংশ শুল্কই রয়েছে। আমাদের দৃষ্টিতে নামের পরিবর্তন হয়েছে, ট্যাক্সের সংখ্যার তারতম্য ঘটেনি। মার্কিন শুল্কের ফলে আশু কোনো প্রভাব হবে না বাংলাদেশের ক্ষেত্রে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তৈরি পোশাক মোট রপ্তানির ৮৫ শতাংশ। পুরো রপ্তানি মূলত একটি খাতের ওপর নির্ভরশীল থাকা সুখকর কোনো বিষয় না। চামড়া, চামড়াজাত পজ্য, আইটি, জাহাজ নির্মাণ এ খাতগুলোকেও প্রাধান্য দিয়ে কাজ করছে সরকার। খাতভিত্তিক সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দেখা যাবে। তিনি বলেন, ব্যবসা প্রসারের জন্য স্থিতিশীল পরিবেশ প্রয়োজন। এই সরকার প্রথম দিন থেকে ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারে অর্থনীতির বাধা দূর করতে কাজ করছে।

