শুরুর একাদশে ছিলেন না লিওনেল মেসি। তবু খুব একটা বেগ পেতে হয়নি আর্জেন্টিনাকে।
জিওভানি লো সেলসো ও লাউতারো মার্তিনেস প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দেন বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হাতে। দ্বিতীয়ার্ধে জর্ডান একবার আশা জাগালেও, বদলি নেমে ফ্রি-কিক থেকে গোল করে আরেকটি রেকর্ড গড়েন মেসি।
ফুটবল ইতিহাসের সেই চিরপরিচিত দৃশ্য, আরও একবার জাদুকরী ফ্রি-কিকে লিওনেল মেসির ট্রেডমার্ক গোল। ২০২৬ ফিফা বিশ্বমঞ্চে আজ জর্ডানের বিপক্ষে মাঠে নেমে স্রেফ ইতিহাস ওলটপালট করে দিলেন লিওনেল মেসি।
রোববার (২৮ জুন) ম্যাচের ৬০তম মিনিটে লাওতারো মার্তিনেজকে তুলে নিয়ে ৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকাকে যখন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি মাঠে নামান। মাঠে নামার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই মাহেন্দ্রক্ষণ ধরা দিল। এক দুর্দান্ত ফ্রি-কিক থেকে জর্ডানের জাল কাঁপিয়ে আর্জেন্টিনাকে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি ফুটবল ইতিহাসের অমরত্বের পাতায় সম্পূর্ণ এককভাবে নিজের নাম লিখিয়েছেন মেসি। বিশ্বকাপের সুদীর্ঘ ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা ৭টি ম্যাচে গোল করার এক অবিশ্বাস্য ও অনন্য বিশ্বরেকর্ড গড়লেন এলএমটেন।
এই গোলের আগে বিশ্বকাপের টানা ৬ ম্যাচে গোল করার কীর্তি নিয়ে ফ্রান্সের কিংবদন্তি জাস্ট ফন্টেইন (১৯৫৮) এবং ব্রাজিলের জেয়াজিনহোর (১৯৭০) সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষাসনে বসা ছিলেন মেসি। জর্ডানের প্রাচীর ভেঙে সেই সাত দশকের পুরনো রেকর্ডকে একাই নিজের করে নিলেন এই আর্জেন্টাইন জাদুকর।
গ্রুপ পর্ব শেষ হলো আর্জেন্টিনার টানা তিন জয়ে। গ্রুপ ‘জে’-এর ম্যাচে জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে লিওনেল স্কালোনির দল।
আর্জেন্টিনার হয়ে গোল করেন লো সেলসো, লাউতারো ও মেসি। জর্ডানের একমাত্র গোলটি করেন মুসা আল তামারি।

