বিশ্বকে চমকে দিয়ে খুব দ্রুত কাবুল নিয়ন্ত্রণে নেয়ার পর কাতারের রাজধানী দোহা থেকে আফগানিস্তানে ফিরতে শুরু করেছেন তালেবানের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা। মঙ্গলবার কান্দাহারে ফিরেছেন সংগঠনটির
১৯৯৬ থেকে ২০০১ আফগানিস্তানের জন্য এক বিভীষিকাময় অধ্যায়। তালেবান শাসনের ওই পাঁচবছরে আফগানিস্তান যেন এক অন্ধকার গহ্বরে পরিণত হয়েছিল। যেখানে সব ধরনের মানবিক বিপর্যয় শীর্ষস্থান
আফগানিস্তানে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ‘সাধারণ ক্ষমা’ ঘোষণা করেছে তালেবান। যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত আশরাফ গনি সরকার পতনের পর মঙ্গলবার সকালে এই ঘোষণা আসে। এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ‘সাধারণ
এমন কিছু যে ঘটবে তা আগেই অনুমেয় ছিল। যখন আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সেনা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। তখন থেকেই আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা আফগানিস্তানের রাজত্ব যে তালেবানদের
তালেবানের হাতে কাবুলের পতনের পর দেশ ছেড়ে যাচ্ছেন অনেক আফগান। কাবুল বিমানবন্দরে জনস্রোত দেখা গেছে। এতে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা ও বিভ্রান্তি অব্যাহত রয়েছে বলে জানা যায়।
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে প্রবেশ করতে শুরু করেছে দেশটির সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী তালেবান। শহরটির চারপাশ দিয়ে একযোগে রাজধানীতে প্রবেশ করছে তারা। আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং তালেবান
একের পর এক প্রদেশ দখল করে নেয়ার পর আফগানিস্তানের হাজার হাজার বাসিন্দাদের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংগঠন একে মানবিক বিপর্যয় হিসেবে ঘোষণা
দিন যত যাচ্ছে আফগানিস্তান সংকট যেন ততই ঘনীভূত হচ্ছে। আফগান সেনাদের কাছ থেকে একের পর এক প্রাদেশিক রাজধানী দখলে নিচ্ছে তালেবান গোষ্ঠী। সর্বশেষ সশস্ত্র এই
আফগানিস্তানে তালেবান ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় গত ৩ দিনে অন্তত ২৭ জন শিশু নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে, জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। গতকাল,
আফগানিস্তানের কুন্দুজ এবং সার-ই-পুলের পর এবার তালোকান নামে আরও একটি প্রাদেশিক রাজধানী দখলে নিয়েছে তালেবান যোদ্ধারা। রোববার একদিনেই এই তিন নগরী বেদখল হয়েছে বলে জানিয়েছে