আর্জেন্টিনার বিপক্ষে শেষদিকে ডিফেন্সিভ খেলার দরুন এখনও সমালোচনার পারদ থামাতে পারেনি ইংল্যান্ড। বিপরীতে, টুর্নামেন্টজুড়ে আক্রমণাত্মক ফ্রান্স স্পেনের নিয়ন্ত্রিত ফুটবলে একেবারে বোতলবন্দি হয়ে যায়। ফলে উভয় দলই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটিতে নেমেছিল কিছুটা বিরক্তি ও আক্ষেপ নিয়ে। সেই ম্যাচটাই কি না হলো বিশ্বকাপ ইতিহাসের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী লড়াইয়ে সর্বোচ্চ ১০ গোলের রেকর্ড গড়ল। আর ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয় হলো ইংলিশরা।
ম্যাচটি সাধারণত ম্যাড়ম্যাড়ে হবে মনে হলেও মায়ামি স্টেডিয়ামে দর্শক উপস্থিতি ছিল ৬৪,৪৭৮ জন এবং তাদের ১০ গোলের এক শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই উপহার দিলো ইংল্যান্ড-ফ্রান্স। বুকায়ো সাকার হ্যাটট্রিকে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। এর মধ্য দিয়ে ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর ছেলেদের ফুটবলে নিজেদের সেরা সাফল্য পেল ইংলিশরা, যা বিদেশের মাটিতে তাদের ইতিহাসের সেরা অর্জন।
এদিকে, বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়লেন ওলিসে, সাতটি। ভেঙে দিলেন ১৯৭০ আসরে কিংবদন্তি পেলের গড়া ছয় অ্যাসিস্টের রেকর্ড। তবে ফরাসিদের জন্য দিনটি হতাশার, কারণ বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে এর আগে কখনোই তারা ৬ গোল হজম করেনি এবং যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ৬৬ বছর পর তারা প্রথম ৬ গোল খেলো।

